ডেস্ক: বাগানের পঞ্চম বিদেশী হিসাবে প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেল ওমর এল হুসেইনির নাম। পুজোর ঠিক আগেই শহরে এসেছিলেন ‘মিশরের মেসি’ মোহাম্মেদ সালাহের দেশোয়ালি এই অ্যাটাকিং মিডিও। তবে তাঁকে প্রথমেই চূড়ান্ত করতে নারাজ ছিলেন কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তী। বরং তাঁকে দেখে নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে চেয়েছিলেন কলকাতা লিগজয়ী কোচ।

সেই মতোই শনিবার সেনার বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে ওমরকে নামিয়েছিলেন শঙ্করলাল। প্রতিপক্ষকে ২-১ গোলে হারায় সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। গোলদাতা ডিকা ও হেনরি। সূত্রের খবর, ওমরের খেলায় খুশি বাগান কোচ। তাঁর ফিটনেস লেভেলও সন্তোষজনক। তাই কর্তাদের ওমরকে দলে নেওয়ার ব্যাপারে সবুজ সঙ্কেত দিয়ে দিয়েছেন বাগান হেডস্যার। ফলে ২২ অক্টোবরই হয়তো আইএফএ অফিসে গিয়ে সই পর্ব সম্পন্ন করে নেবেন ওমর। প্রসঙ্গত, রবিবার গভীর রাতেই হয়তো শহরে চলে আসবেন বাগানের প্রাণভোমরা সনি নর্ডি।

তবে মোহনবাগানে যখন ফিলগুড পরিবেশ, সেখানে ময়দানের আরেক প্রধান ইস্টবেঙ্গলে কাতসুমিকে নিয়ে নাটক অব্যহত। নতুন ইনভেস্টর কোয়েস আসার পর জাপানি বোমা কাতসুমিকে রিলিজ দেওয়ার পথে হাঁটছিল লাল-হলুদ। কিন্তু সুখবিন্দর ইস্যুতে ট্রান্সফার ব্যান হওয়ায় কাতসুমিকে রিলিজ দেননি কর্তারা। কিন্তু কলকাতা লিগে দলে জায়গা না পাওয়ায় অভিমানী কাতসুমি নেরোকা এফসিতে সই করেন। এখন ইস্টবেঙ্গল কাতসুমিকে রিলিজ দেওয়ার আগেই কী করে অন্য ক্লাবে সই করলেন এই মিডিও, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কর্তারা। সেই মতো প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটিতে আপিলও করেছেন তাঁরা। লাল-হলুদ এখন ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ দিতেও রাজি নয় কাতসুমিকে। ফলে আগামী মঙ্গলবার ফেডারেশনের সভায় ঠিক হবে কাতসুমির ভবিষ্যৎ। পাশাপাশি, ইস্টবেঙ্গলের ট্রান্সফার ব্যান নিয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে এই সভায়।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here