ডেস্ক: লোকসভা ভোটের নির্ধন্ট প্রকাশের পরেই তৃণমূলের বিরোধিতা শুরু ভোটের সময় নিয়ে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খোলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের এই রায়কে স্বাগত, তবে রমজানের সময় এই ভোট পড়ে যাওয়ায় বাংলার মানুষের অনেক কষ্ট হবে। তৃণমূলের এই বিরোধিতার এবার জবাব দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার কমিশনের তরফে জানানো হল, নিদির্ষ্ট কোনও ধর্মের উৎসবের জন্য সাধারণ নির্বাচন পিছনো সম্ভব নয়। ভোট পিছোতে হলে ১ মাস পিছোতে হত, যা অসম্ভব।

নির্বাচন কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, সমস্ত দিক ভেবেই এই নির্ঘন্ট প্রকাশ করা হয়েছে। কোনও একটি ধর্মীয় উৎসবের কথা ভেবে ভোট প্রক্রিয়া এইভাবে পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। রমজানের জন্য নির্বাচন পিছতে গেলে ১ মাস পিছোতে হত, তাহলে পুরো প্রক্রিয়া সময়ের মধ্য শেষ করা অসম্ভব ছিল। তবে তারা এও জানিয়েছে, শুধুমাত্র রমজানের জন্যই বিশেষ দিনগুলিতে ও শুক্রবারে ভোটগ্রহণ ফেলা হয়নি। প্রসঙ্গত, ১১ এপ্রিল লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। তার আগেই শুরু হচ্ছে মুসলিমদের পবিত্র রমজান মাস।

 

উল্লেখ্য, মেয়র ফিরহাদ হাকিম নির্বাচনী নির্ঘন্ট প্রসঙ্গে বলেন, বাংলা, উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা অনেক আছে। সাত দফা ভোট মানে রমজান মাসে ভোট। বাংলার পাশাপাশি এই দুই রাজ্যের মানুষের অনেক কষ্ট হবে। তবে এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের বিরোধিতা করেছেন এআইএমআইএম নেতা আসাদউদ্দিন ওবেইসি। তিনি বলেন, ভোটগ্রহণ প্রসঙ্গে রমজানকে রাজনীতিতে টানা হচ্ছে। রমজানে ভোট দিতে কোনও মুসলিমদেরই সমস্যা হয় না। একে নিয়ে কয়েকটি রাজনৈতিক দল অকারণে রাজনীতি করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here