ডেস্ক: হাতে গুনে ক’দিন মাত্র। শুরু হতে চলেছে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। লোকসভা নির্বাচনের আগে কার্যত অগ্নি পরীক্ষার সম্মুখীন হতে চলেছে নরেন্দ্র মোদী ও রাহুল গান্ধীর দল। এই পাঁচ রাজ্যের ফলাফলেই অনেকটা স্পষ্ট হয়ে যাবে, কোন পথে গড়াচ্ছে জল। ২০১৪ সালের মতো আরও একবার উঠবে মোদী ঝড় নাকি রাহুলের ক্যারিশ্মায় ফিকে হবে গেরুয়া রঙ। কিন্তু নির্বাচন শুরু হওয়ার আগে থেকেই এবার সবরকমের আটঘাট বেঁধে ময়দানে নামতে চাইছে নির্বাচন কমিশন।

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে কম চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে না কমিশনকে। তবে এবারে যে বিষয়টির সঙ্গে মোকাবিলা করতে তাদের আলদা করে প্রস্তুতি নিতে হবে তা হল মোবাইলের ব্যবহার। কিন্তু বেসরকারি কোম্পানি ডেটাগিরির সিংহদুয়ার খুলে দেওয়ার দৌলতে যে পরিমাণ স্মার্টফোনের ব্যবহার বেড়েছে, তা কিছুটা হলেও ভাবাচ্ছে নির্বাচন কমিশনকে। সেই কারণে সকল মোবাইল নেটওয়ার্ক সংস্থাগুলিকে নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক আনন্দ কুমার।

এই বৈঠকে মোবাইল নেটওয়ার্ক সংস্থাগুলিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নির্বাচন চলাকালীন যেন সংশ্লিষ্ট রাজ্যের প্রত্যেক এলাকাতে নেটওয়ার্কের মান ভাল থাকে। এমনকি প্রত্যন্ত গ্রামগুলির ক্ষেত্রেও এই নির্দেশ বহাল রাখা হয়েছে। বর্তমান সময়ে যেভাবে মানুষ প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে পড়েছে, তাতে যদি মোবাইলে নেটওয়ার্ক ঠিক মতো না আসে, তবে ভোটের কাজেও বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা নির্বাচন কমিশনের। বৈঠকের পর মোবাইল কোম্পানিগুলিও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে উন্নত পরিষেবা দেওয়ার।

মোবাইল নেটওয়ার্ক কোম্পানির পাশাপাশি সংবাদ মাধ্যমগুলির উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। যেহেতু পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রায় দেড় মাস ধরবে চলবে, সেই কারণে কোনও রাজ্যে নির্বাচন শেষ হওয়ার পর এক্সিট পোল প্রকাশের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করে করেছে কমিশন। কোনও সংবাদ মাধ্যমে এই সময়ের মধ্যে এক্সিট পোল প্রকাশ করা যাবে না। উল্লেখ্য, আগামী ১২ নভেম্বর থেকে শুরু হতে চলেছে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। ভোট প্রক্রিয়া শেষ হবে ৭ ডিসেম্বর। এই বিধি লাগু রইবে ততদিন পর্যন্ত।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here