kolkata bengali news

ডেস্ক: চলতি লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের জন্য বিশেষ কেন্দ্রীয় পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে বিএসএফ-এর প্রাক্তন ডিজি কেকে শর্মাকে নিয়োগ করা হয়েছিল। বুধবার এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে তাঁকে রাজ্যের ‘বিশেষ পর্যবেক্ষক’ হিসেবে নিয়োগ করে নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ সহ ঝাড়খণ্ডের বিশেষ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক রূপে নিয়োগ করা হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই কেকে শর্মাকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে কমিশন। তাঁর জায়গায় কাকে এই পদে আনা হতে পারে সেই নিয়ে আলোচনাও চলছে।

বুধবার কালীঘাটের সাংবাদিক বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে সর্বপ্রথম সরব হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও কেন আরএসএস ঘনিষ্ঠ একজন ব্যক্তিকে নিয়োগ করা হল এই নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মমতা। বুধবার নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করার সময় মমতা বলেন, বিএসএফের দায়িত্বে থাকাকালীনই আরএসএসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন কেকে শর্মা। এহেন ব্যক্তিকে কেন পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হবে? প্রমাণ স্বরূপ কেকে শর্মার ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার বেশ কিছু ছবিও সংবাদ মাধ্যমের সামনে পেশ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। একই সঙ্গে এই ব্যক্তিকে নিয়োগের তীব্র বিরোধিতাও করেন।

তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ খতিয়ে দেখার পরই কেকে শর্মাকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর জায়গায় বেশ কিছু নাম নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণার দিনই নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে করতে তাঁরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল আরোরা। অন্যদিকে দিনক্ষণ ঘোষণার পরই রাজ্যের সবকটি বুথকে স্পর্শকাতর ঘোষণার দাবি জানিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি সহ বাকি বিরোধী দলগুলি। তাছাড়াও রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধেও পক্ষপাত দুষ্ট হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এহেন ঘটনাবলির ফলশ্রুতি হিসেবেই কমিশন কেকে শর্মাকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বলে ধারনা বিশেষজ্ঞ মহলের। তবে শাসকদলের অভিযোগের ভিত্তিকে আপাতত তাঁর আর ‘বিশেষ পর্যবেক্ষক’ হওয়ার সম্ভাবনা রইল না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here