ডেস্ক: বিজেপির ‘থিম সং’ গেয়ে কমিশনের নোটিশ পেয়েছিলেন আসানসোলের বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। এবার বিফাঁস মন্তব্যে জন্য নির্বাচন কমিশনের নোটিশ পেলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ও আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি। মনে করা হচ্ছে, এদিন কমিশনে বিজেপির জানানো অভিযোগের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে কমিশন।

দুই নেতাই নিজের এলাকায় দৌর্দণ্ডপ্রতাপ। বিরোধীদের কালঘাম ছুটিয়ে দিতে জুড়ি মেলা ভার দু’জনেরই। কিন্তু আদর্শ আচরণবিধি জারি হওয়ার পর থেকে কিছুটা হলেও লাগাম দিতে হয়েছে রাজনৈতিক নেতাদের। কিন্তু কেষ্ট বা জিতু, এদের জন্য আইন কানুনগুলো একটু কমই লাগু হয়। হয়তো এমনটা ভেবেই একের পর এক বিস্ফোরক বয়ান দিয়ে গেছেন এই দুই নেতা। একদিকে অনুব্রত মণ্ডল যেমন ‘চোখ গেলে দেওয়ার’ মতো মারাত্মক মন্তব্য করেছেন। অন্যদিকে আসানসোলের মেয়র এককাঠি উপরে। তিনি প্রকাশ্যেই বলেছেন, একটি বুথ থেকে পাঁচ হাজারের বেশি লিড দিতে পারলেই এক কোটি টাকার কাজের বরাত পাওয়া যাবে। এই দুই মন্তব্য মোটেও ভালোভাবে নেয়নি কমিশন। বিজেপির করা অভিযোগের ভিত্তিতেই শোকজ করা হয়েছে অনুব্রত ও জিতেন্দ্রকে।

তবে এদিন এই দুই নেতা ছাড়াও তৃণমূলের আরও দুই দাপুটে নেতার বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছিল বিজেপি। তারা হলেন-ফিরহাদ হাকিম ও রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। এই চার নেতাকে নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছে বিজেপি। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই আনা হয়েছে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘের অভিযোগ। ফিরহাদ হাকিম অভিযোগ তুলেছিলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী নাকি বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে। অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথ ঘোষ প্রকাশ্যে বলেছিলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী নির্বাচনের পর থাকবে না, আমরা থাকব সারা বছর। ভোটটা জোড়া ফুলেই দেবেন।

তবে বাকি উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের দুই নেতার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ আমল না পেলেও জিতেন্দ্র তিওয়ারি ও অনুব্রত মণ্ডলের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে কমিশন। সেই কারণেই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাদের এই ধরনের মন্তব্যের কারণ জানতে চেয়েছে নির্বাচন কমিশন।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here