kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পুনরায় বারাণসী লোকসভা কেন্দ্র থেকেই ভোটে লড়েছিলেন। সেই নির্বাচনে সমাজবাদী পার্টির হয়ে মোদীর বিরুদ্ধে ভোটে লড়তে নেমেছিলেন বরখাস্ত বিএসএফ জওয়ান তেজ বাহাদুর যাদব। ইনি-ই সেই জওয়ান যিনি সেনা বাহিনীতে সরবরাহ হওয়া খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় সাসপেন্ড হতে হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মোদীর বিরুদ্ধে লড়ে উঠতে পারেননি তিনি। তেজ বাহাদুরের প্রার্থীপদ বাতিল করে দেয় কমিশন। অভিযোগ ছিল, নিজের হলফনামায় তিনি নাকি তথ্য গোপন করেছিলেন।

সেই সময় নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে এলাহাবাদ হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন তেজ বাহাদুর। কিন্তু, আদালত সেই সেই মামলা গ্রহণ করেনি। মামলাটি খারিজ করে দেওয়া হয় ডিসেম্বর মাসে। আদালতের যুক্তি ছিল, তেজ বাহাদুর বারাণসীর ভোটারও নন, তাই তাঁর এই ধরনের মামলা দায়ের করার কোনও মানে হয় না। এলাহাবাদ হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তেজ বাহাদুর।

লোকসভা ভোটে প্রথমে নির্দল প্রার্থী হিসেবে নিজের সমস্ত তথ্য জমা দিয়েছিলেন তেজ বাহাদুর যাদব। কিন্তু, সমাজবাদী পার্টি থেকে তাঁকে প্রার্থী ঘোষণা করার পরই নিজের মনোনয়ন বদলে ফেলেন তিনি। এই প্রেক্ষিতে সপা সুপ্রিমো অখিলেশ যাদবেরও প্রশংসা করেন তিনি। নির্দল প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ার প্রসঙ্গে তেজ বাহাদুর জানিয়েছিলেন, নির্বাচনে হারা বা জেতা তাঁর লক্ষ্য নয়। তাঁর মূল লক্ষ্য, সরকার কীভাবে সেনাকে অবহেলা করে তা তুলে ধরা। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রী সেনার নামে ভোট চান, তাঁদের কৃতিত্ব নিজে নিতে চান, কিন্তু সেনাদের হয়ে কোনও কাজ করেন না।

উল্লেখ্য, কিছু বছর আগেই ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন তেজ বাহাদুর। ভিডিওতে তিনি অভিযোগ জানিয়েছিলেন, জওয়ানদের অত্যন্ত নিম্নমানের খাবার দেওয়া হয়। যাদব অভিযোগ করেন, সেনা জওয়ানদের জন্য মজুত খাবার কম দামে বাইরে বিক্রিও করে দেওয়া হয়। এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরেই তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here