kolkata news
Highlights

  • গত বুধবার এক যুবকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল বাঁকুড়ার সিমলাপালে
  • জানা গিয়েছে, সঞ্জয় মুর্মু নামে এক যুবক আছে এই খুনের পেছনে
  • নিজের মায়ের সঙ্গে শিবুকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলে সঞ্জয়, মাথা ঠিক রাখতে পেরে মদের বোতল দিয়ে তাকে আক্রমণ করে সে


নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া:
গত বুধবার এক যুবকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল বাঁকুড়ার সিমলাপালে। বীরসিংহপুর গ্রামের বছর চল্লিশের যুবকের শিবু মুর্মুর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয় একটি ধানখেত থেকে। প্রথমে এই মৃত্যুর কারণ জানতে পারা যায়নি। অবশেষে জানা গেল মৃত্যুর আসল কারণ। জানা গিয়েছে, সঞ্জয় মুর্মু নামে এক যুবক আছে এই খুনের পেছনে। নিজের মায়ের সঙ্গে শিবুকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলে সঞ্জয়। মাথা ঠিক রাখতে পেরে মদের বোতল দিয়ে তাকে আক্রমণ করে সঞ্জয়। আর তার ফলেই মৃত্যু হয় বছর চল্লিশের শিবু মুর্মুর।

গত ১১ মার্চ বাঁকুড়া সিমলাপাল থানার বীরসিংহপুর গ্রামে ধানখেতের মধ্যে থেকে বছর চল্লিশের শিবু মুর্মুর রক্তাক্ত ক্ষত-বিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। আগের দিন সন্ধেবেলা থেকে শিবু মুর্মু নিখোঁজ ছিলেন। পরের দিন গ্রামবাসীরা প্রাতঃকৃত্য সারতে গেলে শিবুর মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে মৃতদেহটি উদ্ধার করে তদন্তে নামে সিমলাপাল থানার পুলিশ।

পুলিশি তদন্তে ধরা পড়ে মৃত্যুর আসল কারণ। গ্রামের বিধবা মহিলা মালতী মুর্মুর সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল শিবু মুর্মুর। ১১ মার্চ সন্ধ্যা নাগাদ ছেলে সঞ্জয় মুর্মু তার মা মালতী এবং শিবু মুর্মুকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলে। রাগের চোটে মদের বোতল দিয়ে মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন শিবু মুর্মু। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করতে বারংবার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করা হয়। প্রতিবেশী উত্তম মুর্মুকে সঙ্গে নিয়ে মৃতদেহ বাড়ি থেকে ধানখেতে ফেলে আসে সঞ্জয় মুর্মু ও তার মা মালতী মুর্মু। শুক্রবার সিমলাপাল থানার পুলিশ মা মালতি মুর্মু, ছেলে সঞ্জয় মুর্মু ও প্রতিবেশী উত্তম মুর্মুকে গ্রেফতার করে খাতড়া মহকুমা আদালতে পেশ করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here