মহানগর ডেস্কঃ রাতের দুঃস্বপ্ন যেন সত্যি হল বাস্তবে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় তাওকতে রাতের অন্ধকারে আছড়ে পড়েছিল দিউ এলাকায়।

ক্ষয়ক্ষতি কম করার জন্য বড় বড় জাহাজকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল সাগরের নিরাপদ গভীরতায়। যদিও ছোটো নৌকাকে পাঠানো হয়নি নির্দিষ্ট দুরত্বে। সামুদ্রিক যানে ক্ষতির সম্ভাবনা ঠিক কতটা তা জানা যায়নি এখনও। বন্দরে বন্দরে বেজে উঠেছিল ‘চরম বিপদ’ সংকেত। দশ বছরে এই প্রথমবার সমস্ত প্রাইভেট জেটিতে বাজানো হয়েছে এই সংকেত।

৩ মিটার উচ্চতাতেও উঠেছিল ঢেউ। ভেসে গিয়েছে নিকটবর্তী গ্রাম। ভেঙে পড়েছে বিদ্যুৎ-এর তারের খুঁটি৷ দিল্লির মৌসুম ভবনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাওকেত ঝড়ের ‘চোখ’-এর ব্যাস প্রায় ৪২ কিলোমিটার। ঝড়ের গতি ১৫০-১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায়। জুনাগড়, গির-সোমনাথ, ভাবনগর, আমরেলিতে প্রবল বর্ষণ।

কোদিনার শহরের কাছে উপড়ে উপড়ে পড়েছে একের  পর এক নারকেল গাছ। শুধু এই এলাকাতেই ২০০’র বেশি গাছ ভেঙে পড়েছে বলে খবর। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, মোবাইলের  টাওয়ারও ভেঙে পড়েছে ঝড়ের দাপটে। কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, কেরল, গোয়াতে আপাতত ১২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here