kolkata news

Highlights

  • নদিয়ার শান্তিপুরে শান্তনু মাহাতোকে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় পুলিশ এখনও পর্যন্ত একজনকে গ্রেফতার করেছে
  • বাকি ২০-২৫ জন অভিযুক্তদের পুলিশ এখনও গ্রেফতার করতে না পারায় ক্ষোভে ফুঁসছেন মৃত শান্তনু মাহাতোর পরিবার
  • নিহতের পরিবারের অভিযোগ, শান্তনুর খুনের পেছনে শান্তিপুরের তৃণমূল বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্যের মদত রয়েছে


নিজস্ব প্রতিনিধি, নদিয়া:
নদিয়ার শান্তিপুরের তৃণমূল কর্মী শান্তনু মাহাতো ওরফে গনা মাহাতোকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সন্তু চৌধুরীকে ১২ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। শান্তিপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন করা হয়েছিল আদালতে। রানাঘাট মহকুমার আদালত ১২ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়।
নদিয়ার শান্তিপুরে শান্তনু মাহাতোকে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় পুলিশ এখনও পর্যন্ত একজনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃত ব্যক্তির নাম সন্তু চৌধুরী। তার কাছ থেকে পুলিশ একটি অস্ত্রও উদ্ধার করেছে। বাকি ২০-২৫ জন অভিযুক্তদের পুলিশ এখনও গ্রেফতার করতে না পারায় ক্ষোভে ফুঁসছেন মৃত শান্তনু মাহাতোর পরিবার।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, শান্তনুর খুনের পেছনে শান্তিপুরের তৃণমূল বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্যের মদত রয়েছে। তাই বিধায়ককে গ্রেফতার করতে হবে। শুধু তাই নয়, মৃত্যুর ক’দিন আগে বিধায়ক শান্তনুকে হুমকিও দেন বলে অভিযোগ পরিবারের। এমনকী শান্তনু যে সমাজবিরোধী নয়, তাও জানিয়ে দেয় মৃতের পরিবার।

যদিও এই বিষয়ে অরিন্দমবাবু অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, শান্তনু সমাজবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত ছিল। অপরদিকে মৃতের পরিবারের দাবি, শান্তিপুর পুরসভার চেয়ারম্যান অজয় দে’র কাছের লোক ছিল শান্তনু। আর তার জেরেই খুন হতে হয়েছে শান্তনুকে। এই বিষয়ে চেয়ারম্যান অজয় দে জানিয়েছেন, শান্তনু তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী ছিল। যারা শান্তনুকে খুন করেছে, তাদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। এবং সঠিক তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন চেয়ারম্যান। যদিও এখনও পর্যন্ত বাকি অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে না পারায় রীতিমতো ক্ষোভে ফুঁসছেন মৃতের পরিবার। অবিলম্বে বাকি দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here