chakka jam
হরিয়ানায় বন্ধ জাতীয় সড়ক

মহানগর ডেস্ক: শনিবার দুপুর ১২টা থেকে তিন ঘণ্টার জন্য কৃষক সংগঠনগুলো চাক্কা জ্যামের ঘোষণা করেছিল। সেই অনুযায়ী হরিয়ানার পালওয়ালে এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাতীয় সড়ক বন্ধ করে দিয়েছেন কৃষকরা। পাশাপাশি দিল্লি জুড়ে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এর আগে কৃষক আন্দোলনকারীরা ট্র্যাক্টর ব়্যালি করবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন। সেই সময় শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে একাধিক হিংসাত্মক ঘটনা দেখতে পাওয়া যায়। দিল্লি পুলিশ কোনওভাবেই ফের রাজধানীর বুকে এই রকম হিংসাত্মক ঘটনা চাইছে না। বৃহস্পতিবার নিরাপত্তার বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ে বৈঠক হয়। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিক শাহ, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও পুলিশ কমিশনার এস এন স্ত্রীবাস্তব উপস্থিত ছিলেন। সেখানে নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়।

শনিবারের কৃষক সংগঠনগুলোর চাক্কা জ্যাম কর্মসূচিতে যাতে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেই কারণে সীমান্তে ৫০ হাজার পুলিশকর্মী, জলকামান মজুদ রাখা হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২টা থেকে তিনটে অবধি চাকা জ্যাম হবে। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য উত্তরপ্রদেশ ও হরিয়ানা পুলিশের সঙ্গে দিল্লি পুলিশ যোগাযোগ করেছে। অন্য দিকে, কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইত বলেন, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে কোনও চাক্কা জ্যাম কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে না। সেখানে কৃষকরা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে কৃষকরা স্মারকলিপি জমা দেবেন। তিনি বলেন, মাত্র তিন ঘণ্টা চাক্কা জ্যাম কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। এই কর্মসূচিতে কোথাও রাস্তা বন্ধ রাখা হবে তো, কোথাও ধরনা দেবেন কৃষকরা। দিল্লি ও হরিয়ানা পুলিশ ইতিমধ্যে কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। একাধির রুট পরিবর্তন করা হয়েছে। কৃষক সংগঠনগুলি সাধারণ মানুষকে কর্মসূচি চলাকালীন চিনা বাদাম, ছোলা, জল, খাবার এবং অন্যান্য জিনিস সরবারহ করবে বলে জানা গিয়েছে। কৃষকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি গ্রাম থেকে দুটো ট্র্যাক্টর নিয়ে আসা হবে।

প্রায় দুই মাসের বেশি সময় ধরে, কৃষকরা দিল্লির সীমান্তে বিক্ষোভ করছেন। কৃষকদদের এই বিক্ষোভ দমিয়ে দেওয়ার জন্য একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জল, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের জন্য আন্দোলন আরও প্রতিকূল করার চেষ্টা করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কৃষকরা ৬ ফেব্রুয়ারি চাক্কা জ্যামের ঘোষণা করেন। রাস্তাতেই আটকানো  হচ্ছে গাড়ি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here