cultivation news

মহানগর ওয়েবডেক্স: করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে গোটা দেশজুড়ে একুশ দিনের লকডাউনের কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। এই লক ডাউনের একটাই উদ্দেশ্য ঘর থেকে অযথা বাইরে বেরোনো বন্ধ করা। করোনা যাতে ভারতে চিন, স্পেন, ইতালি বা আমেরিকার চেহারা না নিতে পারে তাই এই লকডাউন লাগু করা হয়েছে। এই আইনের মধ্যে এতদিন অন্তর্ভুক্ত ছিল কৃষিকাজ। কিন্তু চাষ–আবাদ বন্ধ হয়ে গেলে দেশে তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে, সেই কথা মাথায় রেখেই লকডাউনের আওতা থেকে বাদ পড়ল কৃষিকাজ। এদিন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে চাষ–আবাদের উপর কোনও বিধিনিষেধ থাকছে না। এই আইনের আওতায় রাখা হচ্ছে না কৃষিকাজকে। আর এই কারণেই দেশের ৬০ শতাংশ মানুষ, যারা সরাসরি কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত তারা এই ঘোষণায় উপকৃত হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। কৃষিকাজে ছাড় থাকায় এবার থেকে খোলা রাখতে হবে কীটনাশক ও সারের দোকানও।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গত মঙ্গলবার লক ডাউন নিয়ে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় অত্যাবশকীয় পণ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেননি কৃষিজদ্রব্যকে। কিন্তু ভারতে চাষ–আবাদের গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে সংশোধন করে কৃষিকাজকে অত্যাবশকীয় পণ্যের তালিকায় রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে কৃষিকাজ অত্যাবশকীয় পণ্যের তালিকায় যুক্ত হওয়ায় এবার থেকে চাষিরা বীজ বপণ করতে পারবেন, ফসলও কাটতে পারবেন। কৃষিসংযুক্ত সামগ্রী বলে কীটনাশক ও সার বিক্রেতারা নিজেদের দোকান খোলা রাখতে পারবেন। একই সঙ্গে খোলা থাকবে, সব্জি মান্ডি যেখানে চাষিরা নিজেদের মাল বিক্রি করবেন। এ ছাড়াও ফুড এগ্রিগেটার, কমিশন এজেন্ট, হোলসেল বিক্রেতাদের এই লকডাউন থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে কেন্দ্র। প্রশাসনিক ছাড়পত্র পাওয়ার পর চাষিদের কৃষিকাজে আর বাঁধা দিতে পারবে পুলিশ। তবে চাষ–আবাদ করতে গিয়ে সামাজিক দূরত্বের নিয়ম মানতে হবে কৃষিকর্মীদের। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের জারি করা নিয়মগুলি বজায় রেখেই কৃষিকাজ করতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here