ডেস্ক: ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের সাধারণ বাজেট পেশ হওয়ার পরই পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল লোকসভা নির্বাচনকে লক্ষ্যে রেখেই এই ভোট। আগামী বছর নির্ধারিত সময় এপ্রিল মাস নাগাদ নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও, কেন্দ্রীয় সরকারের গতিবিধি কিন্তু অন্য কথা জানান দিচ্ছে। বিরোধী সহ অনেকেরই ধারণা ২০০৪ সালের মতো এবারও আগে ভাগেই নির্বাচন সেরে ফেলতে চাইবে বিজেপি শিবির।

কারণটা অবশ্য জলের মতোই স্বচ্ছ। চলতি বছরের শেষভাগেই চারটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিধানসভা নির্বাচন। কর্ণাটক, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তিশগড়। সেই নির্বাচনগুলির ফলাফল আগামী লোকসভা নির্বাচনের ভোট বাক্সেও প্রভাব ফেলবে তা হলফ করেই বলা চলে। অন্যদিকে, দেশজুড়ে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে যেভাবে প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া চলা শুরু হয়েছে, তাতে বিভিন্ন রাজ্যের ভোটের প্রভাব লোকসভা নির্বাচনেও পড়বে বলে মনে করছে দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্ব।

শুধু এখানেই শেষ নয়। বিভিন্ন রাজ্যগুলিতে এনডিএ জোট সঙ্গীদেরও ক্ষোভ বেড়ে চলেছে। শিবসেনা জোট ভাঙার পরেই ইঙ্গিত দিয়েছে টিডিপিও। ফলে শরিকদের নিয়েও খুব একটা স্বস্তিতে নেই শাসক শিবির। এছাড়াও উপরি পাওনা হিসাবে কৃষক আত্মহত্যা, জিএসটি, নোটবন্দির ফলাও রয়েছে। ফলে আসন্ন লোকসভা নির্বাচন জেতা বিজেপির জন্য ‘কেক ওয়াক’ হবে না বলেই ধারণা অধিকাংশ রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগেই কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে ভোট এগিয়ে আসতে পারে এমন আশঙ্কা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধি। তিনি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ”২০০৪ সালের মতো ফের লোকসভা এগিয়ে আনতে পারে কেন্দ্র। সে জন্য তৈরি থাকুন।” যদিও এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি সহমত পোষণ করেন নি। তাঁর সাফ বক্তব্য, লোকসভা নির্বাচন সময়মতোই হবে। জেটলি একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, ”আমার মনে হয়না লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ এগিয়ে আসবে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here