firsosh

ডেস্ক: রায়গঞ্জের মাটিতে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের প্রচারে অংশ নিয়ে সারা দেশে বিতর্ক তৈরি করেছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা ফিরদৌস। গোটা বিষয়টিকে মোটেও ভালোভাবে নেয়নি দেশ। ফিরদৌসকে কালো তালিকাভুক্ত করার পাশাপাশি, তাঁকে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। এদিন ভারতের নির্দেশ মেনে বাংলাদেশে ফিরেও যান তিনি। পাশাপাশি বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে গোটা ঘটনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনাও করলেন জনপ্রিয় এই বাংলাদেশী অভিনেতা।

বুধবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যম প্রথম আলোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফিরদৌস বলেন, ‘আমি স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক। একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে অন্য একটি দেশের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ কোনোভাবেই উচিত হয়নি। আমার অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আশা করি, সংশ্লিষ্ট সকলে আমার অনিচ্ছাকৃত ভুলকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।’ পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ‘ভারতে জাতীয় নির্বাচন হচ্ছে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশের এই নির্বাচন পূর্বের মতো সারা বিশ্বে সাড়া ফেলেছে। এই সময়টায় আমি ভারতে অবস্থান করছিলাম। সকলের মতো আমারও আগ্রহের জায়গায় ছিল এই নির্বাচন। ফলে ভাবাবেগে তাড়িত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের একটি নির্বাচনী প্রচারণায় আমি আমার সহকর্মীদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করি। এটা পূর্বপরিকল্পনার কোনো অংশ ছিল না। শুধুমাত্র আবেগের বশবর্তী হয়ে আমি অংশগ্রহণ করেছি। কারও প্রতি বিশেষ আনুগত্য প্রদর্শন বা কোনো বিশেষ দলের প্রচারণার লক্ষ্যে নয়, আবার কারও প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করাও আমার উদ্দেশ্য নয়। ভারতের সকল রাজনৈতিক দল এবং নেতার প্রতি আমার সম্মান রয়েছে। আমি ভারতের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।’

প্রসঙ্গত, রবিবার উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে তৃণমূল প্রার্থী কানহাইয়ালাল আগরওয়ালের নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেন বাংলাদেশের অভিনেতা ফেরদৌস। সেই ঘটনার জেরে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে বিজেপি। বিজেপির অভিযোগের ভিত্তিতে ফিরদৌসকে কালো তালিকাভুক্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। পাশাপাশি অবিলম্বে তাঁকে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পক্ষ থেকে। নির্দেশ পাওয়ার পরই অবশ্য ভারত ছাড়েন বাংলাদেশের ওই অভিনেতা। নিজের দেশের মাটিতে পৌঁছনর পর গোটা বিষয়ের জন্য ক্ষমাও চেয়ে নেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here