kolkata news
Parul

নিজস্ব প্রতিনিধি : দিলীপদাকে নিয়ে সত্যিই দুঃখ হয়। বিজেপির আজকের অস্তিত্বের নেপথ্যে দিলীপদা। একাই লড়ে গিয়েছেন। আজকে সেই লোকটা কোথাও যেন অবহেলিত হয়েছেন। আজ, বুধ-সন্ধ্যায় এমনই উপলব্ধি তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের। তবে এটা যে তাঁর একান্তই নিজস্ব উপলব্ধি, দলের নয়, তাও জানিয়েছেন ফিরহাদ।

ads

পর পর দু দফায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি হন দিলীপ ঘোষ। তাঁর নেতৃত্বেই লড়ে লোকসভা নির্বাচনে ব্যাপক ফল করে গেরুয়া শিবির। দুই থেকে বেড়ে লোকসভায় তাদের প্রতিনিধির সংখ্যা হয় ১৮। তখনই পুরস্কার স্বরূপ দিলীপকে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দেওয়ার জল্পনা ছড়ায়। এও শোনা যায়, দিলীপ নিজেই নাকি মন্ত্রী হতে চাননি, সংগঠনের দায়িত্ব সামলাতেই চেয়েছিলেন।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি পদে তাঁর দুবারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে চলতি বছরের ডিসেম্বরে। বিজেপির রীতি অনুযায়ী, টানা দুবার কোনও পদে থাকলে, আর তাঁকে ফেরানো হয় না সেই পদে। সেই হিসেবে রাজ্য সভাপতি পদে এবারই তাঁর মেয়াদ শেষ। সেই কারণে এবারও জল্পনা ছড়িয়েছিল পূর্ণমন্ত্রী হচ্ছেন দিলীপ। কিন্তু দেখা গেল, এ রাজ্য থেকে জন বার্লা, সুভাষ সরকার, নিশীথ প্রামাণিক এবং শান্তনু ঠাকুর মন্ত্রী হলেও, শিকে ছেঁড়েনি দিলীপের ভাগ্যে। সেই প্রসঙ্গেই মন্তব্য করতে গিয়েই এদিন ওই প্রতিক্রিয়া দেন ফিরহাদ।

পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, দিলীপ ভেবেছিলেন এবার রাজ্যে বিজেপির সরকার হচ্ছেই। সেক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার একটা সুযোগ তাঁর সামনে ছিল। সেই কারণেই প্রথমবার তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হতে অস্বীকার করেন। বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপর্যয়ের পর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা বিনষ্ট হয়ে গিয়েছে। এখন দেখার, রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদে অবসর নেওয়ার পর তাঁর ভাগ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্বের শিকে ছেঁড়ে কি না!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here