ডেস্ক: ইতিহাস বলা যায় কি? হয়ত যায়। কারন এ দৃশ্য আগে কখনও দেখেনি এই শহর। দিনের ব্যস্ত সময়ে একেবারে বেঙ্গালুরু থেকে সোজা বাইপাসের ধারে ফর্টিস হাসপাতাল, এই প্রথমবার অন্তঃরাজ্য গ্রিন করিডোর তৈরি হল পূর্ব ভারতে। বেঙ্গালুরুতে আহত এক যুবকের হৃদয় জারবন্দি হয়ে এল কলকাতায়। যত দ্রুত সম্ভব এই হৃদয় হাসপাতালে পৌঁছনোর জন্য কলকাতা বিমানবন্দর থেকে তৈরি করা হল গ্রিন করিডোর।

দিনকয়েক আগে পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হন বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা বরুণ ডিকে। বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল তাঁকে। গত শনিবার বরুণের ব্রেন ডেথের কথা ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। এদিকে ঝাড়খণ্ডের দেওঘরের বাসিন্দা দিলচাঁদ সিং বহুদিন ধরে ভর্তি রয়েছেন আনন্দপুর ফর্টিস হাসপাতালে। ডাক্তাররা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন হার্ট প্রতিস্থাপন ছাড়া বাঁচানো সম্ভব নয় দিলচাঁদকে। দুই রাজ্যের দুই বাসিন্দা সোমবার মিলে যেতে চলেছে এক হৃদয়ে।

বেঙ্গালুরুর বরুণের ব্রেন ডেথের পর, তাঁর হৃৎপিন্ড দান করতে চেয়েছিল বরুণের পরিবার। প্রথমে চেন্নাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে গ্রহীতা না থাকায় ওই হাসপাতালেরই কলকাতা শাখায় যোগাযোগ করা হয়। সেখানেই খবর মেলে ঝড়খণ্ডের বাসিন্দা দিলদার সিং–এর হৃদযন্ত্র প্রয়োজন। এরপরই বেঙ্গালুরু থেকে বিশেষ বিমানে সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ কলকাতা পৌঁছয় বরুণের হৃদযন্ত্র। তারপর গ্রিন করিডোর দিয়ে মাত্র ১৮ মিনিটে তা আনা হয় বাইপাসের ধারের ওই হাসপাতালে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here