নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্যারাকপুর: লক্ষ্মী পুজোর কোন আনন্দই চোখে পড়লনা উত্তর ২৪ পরগনার মছলন্দপুরে । প্রতিবেশীরা ভাবতে পারেননি লক্ষীপুজোর দিন এতটা শোক পেতে হবে তাদের। বুধবার বিকেলে সিকিম থেকে সড়ক পথে অ্যাম্বুলেন্সে করে ৫ বাঙালি পর্যটকের দেহ উত্তর ২৪ পরগনার মছলন্দপূরে ও বারাসাতে মৃতদের বাড়িতে এসে পৌঁছায়। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পুলিশের তৎপরতায় তাদের বাড়িতে এসে পৌঁছালে শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েন মছলন্দপূরের সাধারণ নাগরিকরা ।

মছলন্দপূরের নাম করা ডাক্তার ছিলেন বিভাস পাঠক । তিনি পাঠক পরিবারের সকলকে নিয়ে গত রবিবার সিকিমে পৌঁছান। সোমবার রাতেই ঘটে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা । প্রাণ হারান ডাক্তার পাঠক সহ ওই পরিবারের চার সদস্য এবং বারাসাতের এক পর্যটক । বুধবার প্রত্যেকেরই দেহ এসে পৌঁছায় উত্তর ২৪ পরগনায় মৃতদের বাড়িতে । দুপুরেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী ছুটে যান মৃত ওই পর্যটকদের বাড়িতে ।

ওই পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি । সেই মত ৫ পর্যটকের দেহই বুধবার প্রশাসনের পক্ষ থেকে সৎকার করা হয়। মছললন্দপুর থেকে সম্পূর্ণ পুলিশি সহযোগীতায় পর্যটকদের মৃতদেহগুলি নিয়ে যাওয়া নৈহাটি শ্মশানে । সেখানেই সৎকার করা হয় ৫ পর্যটকের মৃতদেহ । ডাক্তার বিভাস পাঠক বরাবরই পরোপকারী ব্যাক্তি হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন । রাতে প্রতিবেশীদের যেকোনও শারীরিক অসুস্থতায় তিনি ছিলেন ঘরের ছেলে । তাঁর মৃত্যু যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না প্রতিবেশীরা । কথা বলতে বলতেই কেঁদে ফেলেছেন অনেকেই। তবে সিকিমে বারে বারে এরকম পথ দুর্ঘটনা নিয়ে ক্রমশ প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here