ডেস্ক: প্রচুর নাটকের পর অবশেষে কর্ণাটকের সরকার গঠন করতে চলেছে কংগ্রেস জেডিএস জোট। একইসঙ্গে এই জোটকে ঘিরে কর্ণাটক থেকে তৈরি হয়েছে ২০১৯ সালের বিজেপি হঠাও কর্মসূচীর প্রথম সোপানও। আর কিছুক্ষনের মধ্যেই কর্ণাটকের আস্থাভোট, তার আগেই অন্যসুর গাইলেন কংগ্রেস উপমুখ্যমন্ত্রী জি পরমেশ্বরা। কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী, টানা ৫ বছর ক্ষমতায় থাকবেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।

দীর্ঘ জোট কাটিয়ে শুক্রবার আস্থাভোটে জয় পেতে চলেছে কংগ্রেস জেডিএস জোট। কংগ্রেসের ৭৮ জন বিধায়ক এবং জেডিএসের ৩৬ বিধায়কের সমর্থনে তৈরি হচ্ছে সরকার। এর মাঝেই জোট সরকারের কোন্দলের প্রথম ক্ষেত্রটি তৈরি করে দিলেন কর্ণাটকের উপমুখ্যমন্ত্রী জি পরমেশ্বরা। তিনি বলেন, ‘কোন মন্ত্রী কোন পদ পাবেন তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। একইসঙ্গে ৫ বছরের মুক্ষমন্ত্রী পদের সময়সীমায়, ক্ষমতায় শুধুমাত্র ওরাই থাকবে? নাকি আমরাও থাকব? তা নিয়েও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’

উপমুক্ষমন্ত্রীর এই কথাতেই বাড়ছে শঙ্কা। প্রশ্ন উঠছে তবে কি ফের আড়াইয়ের বিভাজন তৈরি হচ্ছে কর্ণাটকের মসনদে? পরমেশ্বরার স্পষ্ট যে সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া না হলেও কুমারস্বামী যে ৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকুক তা চায় না কংগ্রেস। এই প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে সাংবাদিকদের পরমেশ্বরা জানান, ‘আমাদের লক্ষ্য ভাল প্রশাসন। আর তার জন্য সমস্ত দিক বিচার বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কে কতদিনের মুখ্যমন্ত্রী হবে।’

তবে আড়াই বছরের মুখ্যমন্ত্রীর চুক্তি এর আগেই দেখেছে কর্ণাটক। আর এই ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে সম্পর্কের চিড় ধরেছিল কংগ্রেস ও জেডিএসের অন্দরে। অন্যদিকে, কর্নাটকের স্পিকার পদের জন্য আবেদন করেছে কংগ্রেস। সমর্থন না মেলার আশঙ্কায় স্পিকার পদের জন্য মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছে বিজেপি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here