Home Featured মোবাইল নয়, শিশুদের হারানো শৈশব ফেরাবে চু কিতকিত, কুমিরডাঙা, তৈরি সরকার

মোবাইল নয়, শিশুদের হারানো শৈশব ফেরাবে চু কিতকিত, কুমিরডাঙা, তৈরি সরকার

0
মোবাইল নয়, শিশুদের হারানো শৈশব ফেরাবে চু কিতকিত, কুমিরডাঙা, তৈরি সরকার
Parul

মহানগর ওয়েবডেস্ক: সে এক দিন ছিল, স্কুলের টিফিন টাইমে খুদে খুদে পায়ে লাফিয়ে লাফিয়ে চলত চু কিত কিত খেলা। কখনও বা কুমিরডাঙা, এক্কা দোক্কায় মজে নাওয়া খাওয়া ভুলত খুদের দল। তবে যুগের তালে সে সব আজ অতীত। বাপ ঠাকুরদার শৈশবের খেলা ভুলে শিশুমন এখন মজেছে মোবাইল গেমে। এক্কা দোক্কার জায়গায় এসেছে স্যাডো ফাইট তো কখনও আবার টেম্পেল রান। দৌড়ের যুগে মোবাইল হাতে ঘরের এককোনে চুপটি করে ঢুকে পড়েছে শিশুর দল। এই শৈশবেই বইয়ের বোঝার সঙ্গে সঙ্গে তাদের ঘিরে ধরেছে মোবাইল গেমের অন্ধকার দিকগুলি। হারিয়ে যাওয়া শিশুদের শৈশব ফিরিয়ে আনতেই এবার পথে নামল রাজ্য শিক্ষাদফতর। বাংলার প্রতিটি স্কুলে এবার বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে চু কিতকিত, কুমিরডাঙা, টিপ্পা, স্কিপিংয়ের মতো খেলাগুলিকে।

শুক্রবার রাজ্য শিক্ষা পর্যদের তরফে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বলা হয়েছে স্কুলের দৈনন্দিন সময়ের মধ্যে আলাদা করে সময় বের করতে হবে বাংলার শিশুদের হারিয়ে যাওয়া প্রচলিত খেলাগুলির জন্য। একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকের পর্যবেক্ষনে ওই বরাদ্দ সময়ে খেলাধুলা করবে স্কুলের শিশুরা। এবং এই সমস্ত খেলার তত্ত্বাবধান করবেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই প্রাক প্রাথমিক থেকে শুরু করে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়াদের এই নয়া বিজ্ঞপ্তি কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছে পর্ষদ।

দিনবদলের ফেরে পড়ে খেলা ভুলে বেশীরভাগ শিশুই এখন মোবাইল আসক্ত। যার ফলে পুরানো দিনের মাঠে গিয়ে আগের মতো শরীরচর্চা এখন ভুলেছে শিশুরা। অনেক সময়ে পড়াশুনার চাপে মাঠে গিয়ে আর খেলার সময় পায় না শিশুরা। গোটা বিসয়টির জেরে শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন বিভিন্ন মহল। যার জেরেই বিলুপ্তির পথে চলে যাওয়া অতীতের মজার পুরানো সেই খেলাগুলিকে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হল রাজ্য শিক্ষা দফতর।

প্রসঙ্গত, রাজ্যের স্কুলগুলিতে শরীরশিক্ষা এখন বাধ্যতামূলক। আর এর জন্য স্কুলের রুটিনে বরাদ্দ করা থাকে একটা বাড়তি সময়ও। কিন্তু একঘেয়ে শরীরশিক্ষায় সেভাবে মন বসে না শিশুদের। যার জেরেই নয়া এই উদ্যোগ নিল শিক্ষাদফতর। চু কিত কিত, টিপ্পা, স্কিপিংয়ের মতো পছন্দের খেলাগুলিকে রুটিনে বাধ্যতামূলক করতে চলেছে সরকার। যার ফলে শরীরচর্চা যেমন হবে, তেমনই স্কুলে আসার জন্য আগ্রহ বাড়বে শিশুদের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here