ডেস্ক: রং রাশিয়ায় জারি ফরাসি বিপ্লব। বিপ্লবের দেশে বিপ্লবী ক্রতদের বিরুদ্ধে বিপ্লব করে ফুটবলের জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন পেল ফ্রান্স। মস্কোর মায়াবী রাতে রূপকথার মেগা ফাইনালে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হল জিদানের দেশ।

লুজনিকিতে ফাইনালের পর টাইম মেশিনে চেপে চলুন একটু বেড়িয়ে আসি ১৯৬৬ সালে। বিশ্বকাপের ফাইনালে যে ৯০ মিনিটে ৬ গোল হতে পারে সেটা প্রথম দেখিয়েছিল জিওফ হার্টস। কিংবদন্তি ইংলিশ ফুটবলার শেষবার বিশ্বকাপে তাঁর হাটটিকে দেখছিল ফাইনালে ৬ গোল।

মারিও মানজুকির আত্মঘাতী গোলে শুরুটা হয়েছিল। কিন্তূ সেটা খুব বেশি সমস্যা তৈরি করতে পারেনি। সমতায় ফিরিয়েছিলেন ইভান পেরিসিক। কিন্তু পেন্ডুলাম ম্যাচে গ্রিজমানের পেনাল্টি থেকে ফের এগিয়ে যায় দেশমের দল। দ্বিতীয়ার্ধ পুরোটাই ছিল পোগবা ও এমবাপের নামে। ৬০ মিনিটের মাথায় প্রথম গোল করে ক্রোটদের হৃদয় ভাঙেন পোগবা। এর ৫ মিনিট পরই কিলিয়ান এমবাপে দেখান কেন তাঁকে আগামীর ব্যালন ডি’ওর জয়ী বলা হচ্ছে। বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত গ্রাউন্ডেড কিকে ক্রোয়েশিয়ার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকেই দেন তিনি।

এরপর ফিরে আসার আশা করা বৃথা। তবু ৬৯ মিনিটে হুগো লরিসের ভুলের সুযোগ নিয়ে ফ্রান্সের জালে বল শেষ চেষ্টা টা করেন মানজুকিজ। কিন্তু শেষরক্ষা হয় না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here