news sports

মহানগর ওয়েবডেস্ক: তিনি ঠোঁট কাটা, মুখের ওপর ন্যায্য কথা বলতে দু’বার ভাবেন না। অন্যায় দেখলেই করেন প্রতিবাদ। গর্জে ওঠেন টুইটারে। কিন্তু এসবের ওপরেই বিরাজ করে গৌতম গম্ভীরের মানবিক সত্তা। ফের একবার পরিচয় দিলেন তাঁর মহানুভবতার। যা শুনলে গম্ভীরের ওপর আপনার শ্রদ্ধা বেড়ে যাবে।

লকডাউনের মাঝেই প্রাণ হারালেন গম্ভীরের বাড়ির দীর্ঘদিনের পরিচারিকা সরস্বতী পাত্র। যাঁর বাড়ি ওড়িশায়। কিন্তু লকডাউনের মাঝে মৃতদেহ দিল্লি থেকে সেখানে পাঠানো মুশকিল। পরিচারিকার পরিবারের পক্ষেও দিল্লিতে আসা সম্ভব নয় এই মুহূর্তে। কিন্তু তাবলে কি সৎকার হবে না। গম্ভীর নিজে হাতে সমস্ত ব্যবস্থা করে মৃতার সৎকার করালেন দিল্লিতেই।
গত ৬ বছর ধরে প্রাক্তন বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় ওপেনারের বাড়িতে ছিলেন ৪৯ বছরের সরস্বতী। ওড়িশার জজপুর জেলা থেকে দিল্লিতে এসেছিলেন গম্ভীরের বাড়ির কাজ নিয়ে। জানা যাচ্ছে ডায়াবেটিস আর উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে কয়েকদিন আগেই হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন সরস্বতী। কিন্তু গত ২১ এপ্রিল জীবনের লড়াইতে হেরে যান তিনি। লকডাউনের মধ্যে দিল্লি থেকে দেহ ওড়িশা পৌঁছান প্রায় একপ্রকার অসম্ভব বুঝে নিজেই সৎকারের উদ্যোগ নেন মানবিক গম্ভীর।

এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই সকলে ধন্য ধন্য শুরু করে দেয় গম্ভীরের। এমনকী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও গম্ভীরের এই মহৎ উদ্যোগকে কুর্নিশ জানিয়ে টুইট করেছেন। বলেছেন গম্ভীর দৃষ্টান্ত। এসব দেখে গম্ভীর নিজে টুইট করেন। তিনি লেখেন, “আমার বাড়ির ছোট সদস্যকে দেখভাল করতেন উনি। এটা কখনই গার্হস্থ্য সাহায্য হতে পারে না। উনি আমার পরিবার ছিলেন। জাত, ধর্ম, বর্ণ ও সামাজিক পরিচিতির ওপরে মানুষের মর্যাদা। এটাই সবসময় বিশ্বাস করে এসেছি। এটাই আমার কাছে ভারতের সংজ্ঞা, ওম শান্তি।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here