national news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: বেশ কিছু সময় আগে তাকে উদ্ধার করে নেপালের নদীতে ছেড়ে দিয়েছিলেন বনকর্মীরা। কিন্তু নেপাল থেকে ১১০০ কিলোমিটার নদীপথ সাঁতরে নদিয়ায় এসে উদয় হল একটি ঘড়িয়াল (কুমিরের প্রজাতি বিশেষ)। শেষমেষ রানী নগর ঘাটের কাছে গঙ্গা থেকে উদ্ধার করা হল ওই বৃহৎ ঘড়িয়ালটিকে।

উদ্ধারের পর স্বাভাবিক ভাবেই ওই ঘড়িয়ালটির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। আর তা দেখেই সেটিকে শনাক্ত করেন ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্ট ইন্ডিয়ার বায়োলজিস্ট সুব্রত বেহেরা। তিনি আবার গণ্ডক নদীতে ঘড়িয়াল পুনর্বাসনের সঙ্গে যুক্ত। তিনি ঘড়িয়ালটির টেইল স্কিউট (ল্যাজের উপরে কাঁটার মতো অংশ) দেখে শনাক্ত করেন।

এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘এই ঘড়িয়ালটিকে বেশ কিছু সময় আগে নারায়নীর (নেপালে গণ্ডক নদীর নাম) উপনদী রাপতি নদীতে ছাড়া হয়েছিল। সেখান থেকে প্রায় ১১০০ কিলোমিটার এটি সাঁতরে এসেছে।’ জানা গিয়েছে, এত দীর্ঘ যাত্রা করতে এটি সময় নিয়েছে ৬১টি দিন। বিশেষজ্ঞদের অনুমান এই ঘড়িয়ালটি রাপতি নদী থেকে নারায়ণী/গণ্ডক হয়ে গঙ্গায় এসেছে। সেখান থেকে ফারাক্কা হয়ে হুগলি নদীতে এসে পৌঁছেছে এই ঘড়িয়াল।

এই প্রসঙ্গে ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্ট ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে ট্যুইটারে লেখা হয়, ‘হয়তো আমরা লকডাউনে আছি। কিন্তু এই ঘড়িয়ালটি নেপাল থেকে হুগলি নদীতে প্রায় ১১০০ কিমি নদীপথ সাঁতরে এসেছে।’

উল্লেখ্য, কোনও কুমিরের দীর্ঘ যাত্রা এই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৫ সালে বিহার ফরেস্ট ডিপার্টমেন্ট ও ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্ট ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে একটি ঘড়িয়ালকে গণ্ডক নদীতে ছাড়া হয়েছিল। পরে সেটা মহানন্দা নদীতে ধরা পড়ে। সেটিও ২৩৪ দিনে ১০০০ কিমি নদীপথ সাঁতরে এসেছিল।

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here