ডেস্ক: দেশজুড়ে যেভাবে দিনের পর দিন ধর্ষণের মতো ঘৃণ্য ঘটনা বেড়ে চলেছে তাতে কপালে ভাঁজ পড়েছে শাসক দল থেকে বিশিষ্ট মহলের। উন্নাও, কাঠুয়ার মতো ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে ভারতে মহিলাদের নিরাপত্তা ঠিক কোন জায়গায় পৌঁছেছে। সম্প্রতি, এক ১৬ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে স্বঘোষিত ধর্মগুরু আসারাম বাপুর। এবার ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ কাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের এক মাদ্রাসার মৌলবিকে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ওই এলাকায়। ধর্ষণ কাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ওই মৌলবির নাম গুলাম সাহিদ।

পুলিশ সূত্রের খবর, পূর্ব দিল্লির গাজিপুর থেকে ওই নাবালিকাকে অপহরণ করে ওই মাদ্রাসায় নিয়ে এসে ধর্ষণ করে এক কিশোর। মাদ্রাসার মধ্যেই যে ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয়েছে, তা জানতেন ওই মৌলবি। মদ্রাসায় তাঁর উপস্থিতিতেই ঘটেছে এই নৃশংস ঘটনা। যার ফলস্বরুপ ওই মৌলবিকে গ্রেপ্তার করে উত্তরপ্রদেশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে।

উল্লেখ্য, ২১ তারিখ দিল্লি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায় ১০ বছরের ওই নাবালিকা। তারপর তার কোনও খোঁজ না পাওয়ায় পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন মেয়েটির বাবা। ঘটনার তদন্তে নেমে পরদিনই তাকে গাজিয়াবাদের ওই মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় ধর্ষণের মূল অভিযুক্ত ওই কিশোরকেও। ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে বিবৃতিতে মেয়েটি জানায়। বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করানোর কথা বলে তাকে ওই মাদ্রাসায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছে অভিযুক্ত কিশোর। একইসঙ্গে ওই মাদ্রাসার মৌলবিকেও গ্রেপ্তারের দাবি জানায় মেয়েটির পরিবার। তাঁদের অভিযোগ ছিল, মেয়েটিকে যে মাদ্রাসার মধ্যে ধর্ষণ করা হয়েছে সে সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল ছিলেন ওই মৌলবি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here