ডেস্ক: মাঝেরহাট ব্রিজ বিপর্যয় কাণ্ডে ভাঙা ব্রিজের পাশে নতুন সেতু তৈরি হবে। তার পরিকল্পনাও ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। জানানো হয়েছে ২০১৯ এর সেপ্টেম্বর মাসেই নতুন সেতু তৈরির কাজ শেষ করে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। এরজন্য ইতিমধ্যেই গ্লোবাল টেন্ডার ডাকা হয়েছে। যেখানে প্রথমে সময়ের কথা মাথায় রেখে ঠিক করা হয়েছিল যে পূর্ত দফতরই কোনও পরিচিত সরকারি সংস্থা নিয়োগ করে নতুন সেতু তৈরির কাজ শুরু করবে। কিন্তু পরে তা বাতিল করে ঠিক করা হয় যে নিয়ম মেনেই টেন্ডার ডেকে সেতু তৈরির গোটা প্রক্রিয়া চালানো হবে। তার জন্য ইতিমধ্যেই ১৪ দিনের সময় বরাদ্য করে দেওয়া হয়েছে। তবে গোটা প্রকল্পটি বাস্তবায়িত করার জন্য কি পরিমাণ টাকা খরচ হবে তার কোনও ঊর্ধ্বসীমা বেধে দেওয়া হয়নি। তবে এক্ষেত্রে একটি বিষয়কেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, সেটা হল সেতু তৈরির গুণমান। অর্থাৎ এমন সংস্থার হাতেই এই সেতু তৈরির টেণ্ডার দেওয়া হবে যাদের কাজের সুনাম আছে। উচ্চমানের পেশাদারি ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ করে এই পুরো কাজ দেখভাল করার দায়িত্বে থাকবেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মলয় দে।

পূর্ত দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, চার লেনের এই সেতুর নতুন এই সেতুটির দৈর্ঘ্য হবে ৫.৪ কিলোমিটার। নকশা এবং নির্মাণ খরচ সমস্তটাই ঠিক করবে ঠিকাদারি সংস্থা। এই সমস্ত কিছু পরিকল্পনা অনুমোদন করবে পূর্ত দফতর। এই প্রথম বার পূর্তদফতর কোনও টেন্ডারের নকশা ও খরচের খতিয়ান হিসাব করছে না। এতদিন পর্যন্ত পূর্ত দফতর তাদের সব প্রকল্পের আনুমানিক একটা ব্যয় হিসাব করে নিত। তার উপর নির্ভর করেই কোনও সংস্থাকে কাজের বরাত দেওয়া হত। কিন্তু এবার সেই নিয়ম খাটছে না। তবে মনে করা হচ্ছে এই পুরো বিষয়ে আনুমানিক ২০০ কোটি টাকা খরচ হবে।

এই প্রথম কোনও ব্রিজ তৈরির জন্য এই রীতির পরিবর্তন করা হয়েছে। সবচেয়ে কম খরচ নয় অভিজ্ঞতার উপরেই বরাত পাওয়ার মাপকাঠি নির্ভর করবে। উল্লেখ্য, গত ৪ সেপ্টেম্বর মাঝেরহাট ব্রিজ বিপর্যয় ঘটে। দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here