kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: গরু তূণভোজী প্রাণী৷ আমরা জানতাম৷ কিন্তু বাছুর মাছ-মাংস খায়? ঘাস ছেড়ে৷ আমরা জানতাম না৷ তবে গোয়ার সাফাইমন্ত্রী জানেন বিলক্ষণ৷ বিজেপির এই বিধায়ক তথা মন্ত্রীর দাবি, উত্তর গোয়ার ৭৬টি বাছুরকে নিয়ে মহা ফাঁপড়ে পড়েছে গোশালা৷ এইসব বাছুরগুলো ঘাস তো দূরের কথা নিরামিশে প্রবল অরুচি৷ তারা মোটেই আর ঘাস পাতা খেতে চাইছে না৷ একেবারে অনশন ধর্মঘট করেছে৷ হাম্বাদের দাবি, মাছ- মাংস দিতেই হবে৷ মহা মুশকিলে পড়েছেন মন্ত্রী মশাই৷ কী যে করবেন কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না৷

উত্তরগোয়ার উপকূল লাগোয়া ক্যালাংগুত ও কন্ডোমিল গ্রাম থেকে সম্প্রতি ৭৬টি বাছুর ক্যালাংগুতের গো মন্তক গো সেবক মহাসংঘ পরিটালিত গোশালায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল৷ তারা আসার পর থেকেই বিপত্তি শুরু৷ অন্যগরুদের মতো ঘাস পাতার জায়গায় তারা মাছ-মাংসর দাবি জানাচ্ছে অনবরত৷ এর পলে গরুর শাসরিরবৃত্তিয় বিষয়টি একেবারে ঘেঁঠে গিয়েছে বলে জানান গভীর উদ্বিগ্ন সাফাই মন্ত্রী তথা এখানকার বিজেপি বিধায়ক মাইকেল লোবো৷ তাঁর কথা, পশু চিকিৎসকরা গোশালায় গিয়েছেন এসব মাংসাশী বাছুরদের ফের তৃণভোজী বানাতে আরও সপ্তাহখানেক সময় লাগবে৷ আসেল মেছোদের গ্রামে চড়তে গিয়ে আবছুরগুলোর এমন বেয়াড়া অভ্যাস হয়ে গিয়েছে বলে জানান তিনি৷

গোয়ার সাফাইমন্ত্রী লোবোর মতে, গোয়ায় দিনদে দিন গরুর সংখ্যা হু হু করে বেড়ে যাচ্ছে৷ ফলে রাস্তা ছড়া গরুদের জন্য পথ দুর্ঘটনাও বেড়ে যাচ্ছ বলে জানান উদ্বিগ্ন রাজ্যমন্ত্রী লোবো৷ তাঁর আশঙ্কা, এর ফলে রাজ্যতে গরু পাটারকারীরা সক্রিয় হয়ে উঠবে৷ উল্লেখ্য গোয়ায়৷ তাঁর কথায়, বাছুররাও পাচারকারীদের শিকার হচ্ছে৷ যা আটকানো প্রশাসনের পক্ষে দিনকে দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে৷ তবে গোয়ার এই প্রাক্তন উপাধক্ষ্যর মতে, গোরক্ষকদের অতিসক্রিয়তার ফলে কর্ণাটক থেকে গোয়ায় পর্যটকদের চাহিদা অনুসারে গোমাংস আসছে না৷ যার প্রভাব রাজ্যের পর্যটন শিল্পে পড়েছে বলে শঙ্কিত তিনি৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here