ডেস্ক: নাবালিকা ধর্ষণ মামলায় সকালেই দোষী সাব্যস্ত করা করা হয়েছিল ধর্মগুরু আসারাম বাপুকে। শুধু আসারাম বাপু নয় এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয় আরও ২ অভিযুক্তকে। অবশেষে সাজা ঘোষণাও হয়ে গেল আজ। যোধপুরের কেন্দ্রীয় কারাগার চত্বরের বিশেষ আলাদালতে ভারতের ভণ্ডগুরু আসারাম বাপুকে যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা করল আদালত। একইসঙ্গে আসারাম বাপুর বাকি দুই সঙ্গী শিল্পী ও শরৎচন্দ্রকে ২০ বছরের সাজা ঘোষণা করল আদালত।

যোধপুর আশ্রমে এক কিশোরীকে যৌন নিগ্রহ করার অপরাধে ২০১৩ সালের আগষ্ট মাসে ইন্দোর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আসারাম বাপুকে। সেখান থেকে যোধপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে আসা হয় তাঁকে। তখন থেকেই বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত চালিয়ে ২০১৩ সালের ৬ নভেম্বর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ১০১১ পাতার চার্জশিট পেশ করে যোধপুর পুলিশ। দীর্ঘ ৫ বছর পর এই মামলার দোষীদের সাজা ঘোষণা করল যোধপুর বিশেষ আদালতে। আসারাম বাপু সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে ওঠা এই ধর্ষণ মামলায় শিবা ও প্রকাশ নামে দুই অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করে আদালত এবং বাকি তিন জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তার ঠিক কয়েক ঘন্টা পরেই এদিন সাজা ঘোষণা করা হল আসারাম বাপু সহ বাকি ২ জনকে। তবে আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে ওই স্বঘোষিত ধর্মগুরু হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবেন বলে জানা গিয়েছে।

এদিন স্বঘোষিত ধর্মগুরু আসারাম বাপুর রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে অশান্তির আশঙ্কায় কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় ৩ রাজ্য রাজস্থান, গুজরাত, হরিয়ানাকে। যোধপুরের কেন্দ্রীয় কারাগার চত্বরে আলাদা করে বিশেষ আদালত বসানো হয় এবং এই আদালতে সাধারণ মানুষের প্রবেশের উপর জারি করা ছিল নিষেধাজ্ঞা। যোধপুরের ডিসিপি আমন দীপ সিং জানিয়েছেন, যাতে কোনও রকম অশান্তির ঘটনা না ঘটে সেই কারণে যোধপুরে গত ২১ এপ্রিল থেকে জারি করা রয়েছে ১৪৪ ধারা চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here