kolkata news
Highlights

  • ঘাসফুল বনাম পদ্মফুলের দলবদল প্রতিযোগিতা বেশ জমে উঠেছে পুরুলিয়ায়
  • বিজেপি থেকে তৃণমূলে যাওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই আবার বিজেপিতে ফিরে এলেন পঞ্চায়েতের উপপ্রধান
  • বিজেপি’র জেলাস্তরের নেতাদের উপস্থিতিতে জেলার সাধারণ সম্পাদক শঙ্কর মাহাতো তার হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন


নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া:
ঘাসফুল বনাম পদ্মফুলের দলবদল প্রতিযোগিতা বেশ জমে উঠেছে পুরুলিয়ায়। বিজেপি থেকে তৃণমূলে যাওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই আবার বিজেপিতে ফিরে এলেন পঞ্চায়েতের উপপ্রধান। পঞ্চায়েত থাকল বিজেপি’র দখলেই। ২০১৮-এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে পুরুলিয়ার বলরামপুর বিধানসভা এলাকার বড় উরমা গ্রাম পঞ্চায়েতটি দখল করে বিজেপি। বিজেপি থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন সুরধ্বনি মাঝি হেমব্রম। নির্বাচিত হয়ে উপপ্রধান পদে বসেন তিনি। ২০১৯-এর ৫ অক্টোবর সুরধ্বনি মাঝি হেমব্রম তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। আজ তিনি পুনরায় নিজের পুরনো দল বিজেপিতে ফিরে এলেন। বিজেপি’র জেলাস্তরের নেতাদের উপস্থিতিতে জেলার সাধারণ সম্পাদক শঙ্কর মাহাতো তার হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন।

এবিষয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির জেলা সাধারণ সম্পাদক শঙ্কর মাহাত ও বিবেক রাঙ্গা জানান, আমাদের নেতা, প্রধান, উপপ্রধানদের প্রলোভন দেখিয়ে পুলিশের ভয় দেখিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করাচ্ছেন। তাদের এই নোংরা রাজনীতি বুঝতে পেরে আজ তারা পুনরায় আবার ফিরে আসছেন। আগামী দিনে সকলেই ফিরে আসবেন। মন্ত্রী তথা পুরুলিয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি শান্তিরাম মাহাতকে কটাক্ষ করে বিজেপি সাধারণ সম্পাদক বিবেক রাঙ্গা বলেন, মাননীয় মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতোকে আমাদের এটাই প্রশ্ন, একজন মন্ত্রী হয়ে কীভাবে সাধারণের বা জেলার উন্নয়ন ছেড়ে এই সব নোংরা রাজনীতি করছেন। তিনি আরও জানান, পুলিশের গুন্ডামি ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জেলার তিনটি পুরসভায় বিজেপিই জিতবে।

বলরামপুর বিধানসভা এলাকাটি পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদের মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি শান্তিরাম মাহাতোর নির্বাচনী এলাকা। ২০১১-১৬ পর পর দু’বার এই এলাকা থেকে জয়লাভ করে মন্ত্রী হন শান্তিরাম মাহাতো। অন্যদিকে যে বড় উরমা গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপি’র দখলে যায়, সেই এলাকা থেকে ২০১৩সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে জেলা পরিষদ থেকে জয়লাভ করে পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন সৃষ্টিধর মাহাতো। ১৮-এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে তিনি আবার ভোটে দাঁড়ালে পাঁচ হাজারেরও বেশি ভোটে বিজেপি প্রার্থীর কাছে পরাস্ত হন। শুধু তাই নয়, বলরামপুর পঞ্চায়েত সমিতি-সহ সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েতেই জয়লাভ করে বিজেপি। পরে দলবদল করে বলরামপুর পঞ্চায়েত সমিতি তৃণমূল কংগ্রেসের দখল করলেও এখনও সিংহভাগ পঞ্চায়েত রয়েছে বিজেপির দখলেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here