kerala news

মহানগর ওয়েবডেস্ক : বিশ্বের পাশাপাশি করোনায় ঘুম ছুটেছে ভারত সরকারের ও এখানে পরিস্থিতিতে আগামী 21 দিন লকডাউন ঘোষণা করেছেন নরেন্দ্র মোদী। দীর্ঘ সময় ঘরবন্দি মানুষগুলির দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। কিভাবে জুটবে পেটের খাবার? এই প্রশ্নই এখন মাথা ব্যথার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলোর জন্য। লকডাউন পরিস্থিতিতে দেশের সেই সমস্ত গরিব মানুষদের উপর সদয় হলেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। সরকারিভাবে তিনি ঘোষণা করে দিলেন অভুক্ত মানুষগুলোর পেটে ভাত জোগাতে রাজ্যের প্রতিটি পঞ্চায়েতে কমিউনিটি কিচেন খোলার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার।

লকডাউন পরিস্থিতিতেও রাজ্যবাসীর যাতে অভুক্ত না থাকেন তার জন্য একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে দেশের প্রায় সব রাজ্য তবে সারাদেশে এ প্রথমবার অভিনব পদক্ষেপ নিল কেরল সরকার জানিয়ে দেওয়া হল ভুখা পেটে মানুষগুলি যাতে দুবেলা-দুমুঠো খেতে পায় তার জন্য রাজ্যের প্রত্যেকটি পঞ্চায়েতে খোলা হবে কমিউনিটি কিচেন। কারো বাড়িতে যদি খাবার না থাকে তাহলে এই কমিউনিটি কিচেনে ফোন করবেন স্থানীয় বাসিন্দারা সেখান থেকে খাবার সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হবে ক্ষুধার্তের কাছে। বাড়ি থেকে বের হওয়ার কোনো প্রয়োজনই নেই। সরকারের এই সিদ্ধান্তে যারপরনাই খুশি কেরলের মানুষজন। একই সঙ্গে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, লক ডাউন পরিস্থিতিতে ঘরবন্দী মানুষ চাইলেও অনেক সময় নিজের খাবার জোগাড় করতে পারে না। আশপাশ থেকে তা আনতে গেলে কখনো কখনো আত্মসম্মানে ভুগতে পারেন বাসিন্দারা। সরকারিভাবে যদি কোনও ফোন নম্বর দেওয়া হয় যেখান থেকে বিনামূল্যে খাবার পাওয়া যাবে। নিশ্চিত ভাবে তাতে উপকৃত হবেন ভুখা পেটে মানুষগুলি।

শুধু তাই নয় কেরালার মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান রাজ্যে এমন অনেক বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা আছেন যারা বাড়িতে একা থাকেন লকডাউন পরিস্থিতিতে তাদের পক্ষেও খাবার জোগাড় করাটা কঠিন। সেই সমস্ত মানুষগুলোর কথা ভেবেই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আশা করছি এর জেরে উপকৃত হবেন বহু মানুষ। আরো লকডাউন পরিস্থিতিতে রাজ্যের গরিব মানুষের জন্য ১৫ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছেন বিজয়ন সরকার। সেই সঙ্গে ক্যান্সার, হৃদরোগ সহ জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাড়িতে বিনামূল্যে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে সরকারের তরফে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here