নাম ‘রৌদ্র বৃষ্টি’, দোকান খুলে নুন্যতম দামে মুদিখানা থেকে প্রসাধনী সব বেচছে সরকার

0
837

মহানগর ওয়েবডেস্ক: সাত সকালে থলে হাতে বাঙালি হাড়ে হাড়ে টের পান বাজারের গরম। খদ্দেরের সরলতার সুযোগে সুযোগ বুঝে দাম হাঁকাতে বিন্দুমাত্র কার্পন্য করেন না দোকানদাররা। দীর্ঘ দরদামেও ঠকে যাওয়ার বিষয়টি ঘটে আকছার। এহেন পরিস্থিতি থেকে রেহাই দিতে এবার তৎপর হল রাজ্যসরকার। সরকারী উদ্যোগে দোকান খুলে রাজ্যবাসীর জন্য চাল ডাল নুন থেকে শুরু করে খাতা পেনসিল সব বিক্রি করছে সরকার। মমতা সরকারের এই উদ্যগের নাম ‘রৌদ্র বৃষ্টি’।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্ন সঠিক দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর বিপণন। তাই রৌদ্রবৃষ্টি প্রকল্পে সরকারই সরাসরি দোকান খুলেছে। যাতে সঠিক দামে ভালো মানের পছন্দমাফিক নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কিনতে পারেন সাধারণ মানুষ। বাঁশকাঠি ৪৫ টাকা কিলো, জিরাকাঠি ৪২ টাকা কিলো, গোবিন্দভোগ ৬৩ টাকা কিলো, রয়াল বাসমতি-তুলাইপাঞ্জিও ৯৩ টাকায় মিলছে রৌদ্রবৃষ্টিতে। তালিকায় রয়েছে এরকম ১৩ ধরনের চাল। রয়েছে তেল, নুন, ডাল, মশলা, ধূপকাঠি, মাইশোর স্যান্ডেল সাবান থেকে চানাচুর, খাতা-পেন্সিলের মতো ২০০ পণ্য। দাম কম, গুণগত মান নিয়েও প্রশ্ন নেই। দেখা গেল ‘রৌদ্র-বৃষ্টি’র কাউন্টারে ৯৩ টাকা কিলো দরে তুলাইপাঞ্জি চাল কেনার হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। বাজারে এই চাল এত কম দামে পাওয়া যায় না। চাহিদা এমনই, সব সময়ে চাইলেও পাওয়া যায় না।

সরকারি এই ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের জনপ্রিয়তা ধাপে ধাপে বাড়তে থাকায় ব্র্যান্ডেড কোস্পানির খাদ্যসামগ্রী ও প্রসাধনীও ঠাঁই করে দিতে খাদ্য দপ্তর বিজনেস পার্টনার করেছে একটি বেসরকারি কোম্পানিকে, পুজোর আগেই যাতে আরও প্রায় ৪৫০ ধরনের ব্র্যান্ডেড সামগ্রী রৌদ্রবৃষ্টির কাউন্টারে পাওয়া যায়। এতদিন রৌদ্রবৃষ্টি আটকে ছিল শুধু ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের খাদ্য ভবনে। তবে সেখান থেকে তা এখন ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন জেলায়। প্রতিটি পুরসভাকে যুক্ত করা হচ্ছে এই উদ্যোগে। শর্ত একটাই, পুরসভাই তাদের নিজস্ব ভবনে এই বিপণন কেন্দ্র খুলে পরিচালনা করবে। নামের ব্র্যান্ডটা থাকবে খাদ্য দপ্তরের হাতে। খাদ্য দপ্তরই ভালো মানের চাল-ডাল ও অন্যান্য সামগ্রী কোথা থেকে কিনে বিক্রী করা হবে, তা ঠিক করে দেবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here