kolkata news
Parul

 

ads

নিজস্ব প্রতিনিধি: রেশন ব্যবস্থায় বায়োমেট্রিক পদ্ধতি এখনই চালু করা যাবে না। তাঁদের দাবি মানা না হলে শেষ পর্যন্ত তাঁরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবেন। সোমবার বর্ধমানের গাংপুর এলাকায় একটি বিয়েবাড়িতে রাজ্যের প্রায় ১০টি জেলার এমআর ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা সমবেত হয়ে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন। এদিন এমআর ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির ডাকে এই বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রাজ্য কমিটির কোষাধ্যক্ষ বিপ্লব মজুমদার জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার রেশন বণ্টনে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালুর কথা বলেছেন। কিন্তু করোনার এই সময় বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করা হলে করোনার সংক্রমণ আরও দ্রুত বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, এর ফলে তাঁদের জীবনের ঝুঁকিও বেড়ে যাবে। তাই এদিন বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তাঁরা এব্যাপারে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রীর কাছে লিখিত স্মারকলিপি দিয়ে করোনাকালে বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা চালু না করার আবেদন জানাবেন। তিনি জানিয়েছেন, এরই পাশাপাশি এদিনের বৈঠকে তাঁদের কমিশন বৃদ্ধি এবং সর্টেজ দেবার দাবি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, অন্যান্য রাজ্যে যেখানে রেশন ডিলারদের কুইন্টাল প্রতি প্রায় ২৫০টাকা কমিশন দেওয়া হয় সেখানে এই রাজ্যে দেওয়া হয় ৭০ টাকা।

একইসঙ্গে রেশনে মাল বন্টনের সময় সমস্ত মালের কিছু না কিছু পরিমাণ নষ্ট হয়। অন্যান্য রাজ্যে এই সর্টেজ ব্যবস্থা চালু থাকলেও বাংলায় তা চালু হয়নি আজও। এর ফলে রেশন ডিলাররা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তিনি আর জানিয়েছেন, এই রাজ্যে ২০২০ সাল থেকে ডিলারদের কমিশনের প্রাপ্য টাকা বকেয়া রয়েছে। বেশ কিছু জেলা কিছু কিছু করে পেলেও অনেক জেলা কোনেও টাকাই পাননি। কমবেশি প্রায় সব জেলারই ৭ থেকে ৮ মাসের বকেয়া বাকি রয়েছে। এই অবস্থায় তাঁদের ওপর আর্থিক চাপ আর সহ্য করা যাচ্ছে না। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তাঁরা খাদ্যমন্ত্রীর কাছে দ্রুত সমস্যার সমাধান চাইবেন। অন্যথায় তাঁদের বৃহত্তর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সেক্ষেত্রে তাঁরা রেশন মাল তোলা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবেন। এদিন পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদক ব্রিজেশ কুমার সরকার জানিয়েছেন, তাঁদের এই দাবি পূরণ না হলে তাঁরা হাইকোর্টে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here