ছাত্রছাত্রীদের চোখে ধুলো দিয়ে অন্য গেট দিয়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল ও বাবুল

0
1119

মহানগর ওয়েবডেস্ক: দীর্ঘক্ষণ ধরে ছাত্রছাত্রীদের হাতে ঘেরাও হয়ে থাকার পর অবশেষে মুক্ত হলেন বাবুল সুপ্রিয়। এক ঘন্টা ধরে ঘেরাও হয়ে থাকার পর ছাত্রছাত্রীদের চোখে ধুলো দিয়ে অন্য গেট দিয়ে ক্যাম্পাস ছাড়লেন রাজ্যপাল। তার গাড়িতেই সওয়ার ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।

নাটকটা শুরু হয়েছুল দুপুর থেকে। বৃহস্পতিবার নবীন বরণ অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে এবিভিপির অনুরোধে ক্যাম্পাসে আসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। তিনি আসার পরই উত্তাল হয়ে ওঠে যাদবপুর ক্যাম্পাস। প্রথমে কালো পতাকা দেখিয়ে চলে বিক্ষোভ। পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে হামলা চালানো হয় বাবুলের উপর। তাঁকে ধাক্কা দেওয়ার পাশাপাশি, চুল টেনে ধরা হয়। ধাক্কাধাক্কিতে পরে যান বাবুল। ছিঁড়ে যায় জামার কলার। পরিস্থিতির খোঁজ নিয়ে উপাচার্য সুরঞ্জন দাসকে ফোন করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। একই সঙ্গে রাজ্যপাল ফোন করেন মুখ্য সচিব মলয় দে কে। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তাঁকে নির্দেশ দেন তিনি। এরপর নিজেই গাড়ি নিয়ে রওনা দেন ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্যে। সেখানে এসে পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষীদের সাহায্যে বাবুল সুপ্রিয়োর কাছে পৌঁছন তিনি। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে তোলেন গাড়িতেও। তবে ক্যাম্পাস থেকে বের হতে পারেননি রাজ্যপাল। তাঁর গাড়ির সামনে বসে পড়ে কয়েক’শ ছাত্রছাত্রী। স্লোগান ওঠে বাবুলকে নিয়ে যেতে চাইলে তাদেরকে চাপা দিয়ে যেতে হবে। বলা বাহুল্য ক্যাম্পাসে আটকে পড়ে রাজ্যপালের গাড়ি। পুলিশের অনুরোধ সত্ত্বেও ওঠেনি ঘেরাও। গাড়ির ভেতর আটকে পড়েন রাজ্যপাল ও বাবুল সুপ্রিয়।

রাজ্যপালের গাড়ি বের হওয়ার কথা ছিল যাদবপুর বিস্ববিদ্যালয়ের তিন নম্বর গেট দিয়ে। কিন্তু সেখানে দীর্ঘক্ষণ ধরে ছাত্রছাত্রীরা বসে থাকায় সেখান থেকে বের হতে পারেনি রাজ্যপালেন কনভয়। এরপর চকিতে গাড়ি ঘুরিয়ে নিয়ে গাড়িটিকে ঘুরিয়ে অন্যগেট দিয়ে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। ফলে আপাত হলেও সেই দুপুর থেকে চলতে থাকা বিক্ষোভের যবনিকা পড়ল রাত সাড়ে ৮ টা নাগাদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here