‘তিক্ততা’ ভুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে ‘একসঙ্গে কাজ’ করতে চান রাজ্যপাল, আহ্বান উপাচার্যকে

0
189
kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: গত বৃহস্পতিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাবুল সুপ্রিয়র প্রবেশ ঘিরে ছাত্র বিক্ষোভ ও তা সামাল দিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস। দ্রুত তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল ঢাকুরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। বৃহস্পতিবারের সেই ঘটনার পর শনিবার তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে ঢাকুরিয়া হাসপাতালে উপস্থিত হন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। জানা গিয়েছে, হাসপাতালে উপাচার্য সুরঞ্জন দাসের সঙ্গে একান্তে ১০ মিনিট কথা বলেছেন রাজ্যপাল এবং তিনি উপাচার্যের সঙ্গে ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজ করার কথাও উল্লেখ করেছেন।

যাদবপুরে ঘটনার দিন ক্যাম্পাসে পুলিশ ঢোকানোর চেষ্টা নিয়ে রাজ্যপাল ও উপাচার্যের মধ্যে সাময়িক ‘বচসা’ হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে উদ্ধার করতে রাজ্যপাল পুলিশি সাহায্য নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ক্যাম্পাসে পুলিশ ঢোকানোতে ঘোর আপত্তি ছিল উপাচার্য সুরঞ্জন দাসের। সূত্রের খবর, তিনি এও বলেন যে দরকার পড়লে ইস্তফা দেবেন, কিন্তু পুলিশ ঢুকতে দেবেন না ক্যাম্পাসে। সেদিন অবশ্য পুলিশ ঢোকার আগেই যাদবপুর থেকে বাবুলকে নিয়ে বেরতে সক্ষম হন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। সেদিনই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস।

সেদিনের তীক্ততা ভুলে এদিন উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে এসে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করলেন রাজ্যপাল। জানা গিয়েছে, উপাচার্যকে তিনি বলেছেন, ‘ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করব’। আচার্য-উপাচার্য কথোপকথনের বিষয়টি এদিন জানিয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মাথায় তীব্র যন্ত্রণা, বুক ধড়ফড়, বমি বমি ভাব, এমন উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সময় তাঁর রক্তচাপ ছিল ১৬০/৯০। উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিসের সমস্যা থাকার দরুন বর্তমানে আইসিইউতে ভর্তি রয়েছে তিনি। উপাচার্য সুরঞ্জন দাসের সঙ্গে ওই হাসপাতালেই ভর্তি রয়েছে সহ উপাচার্য প্রদীপকুমার ঘোষ। দুজনের সঙ্গেই এদিন দেখা করেন রাজ্যপাল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here