bengali news national

মহানগর ওয়েবডেস্ক: কথা ছিল ১ এপ্রিল ২০২০। কিন্তু করোনার জেরে দেশের যা হাল, যা তাতে কখন কী হয় কিছু বলা যায় না। করোনা হানায় বর্তমানে দিশেহারা ভারত সরকার। যার জেরেই এবার হয়ত পিছিয়ে যেতে পারে জনগণনা বা এনপিআর-এর তারিখ। অন্তত তেমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

কেন্দ্রের এনপিআর নিয়ে শুরু থেকেই অরাজি ছিল দেশের বেশ কয়েকটি অবিজেপি রাজ্য। তার মধ্যে অন্যতম ছিল পশ্চিমবঙ্গ। এছাড়াও একাধিক রাজ্যের দাবি ছিল পুরানো ধাঁচে শুরু হোক এনপিআর। তবে করোনার জেরে দেশের বর্তমান যা অবস্থা তাতে এনপিআর কোনও ভাবেই এখন অতটা প্রাসঙ্গিক নয় সরকারের কাছে। পাশাপাশি একাধিক রাজ্যের তরফে কেন্দ্রকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সরকার যেন এই পরিস্থিতিতে এনপিআরের কাজের উপর স্থগিতাদেশ জারি করে।

এই প্রসঙ্গে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে গোটা রাজ্য করোনা প্রতিরোধে ব্যস্ত। এহেন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকার যেন এই কাজ কিছু দিনের জন্য বন্ধ রাখে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফের শুরু করা হোক জনগণনা। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে একই দাবি জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন হিন্দি বলয়ের একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এখনও এ বিষয়ে খোলাসা করে কিছুই বলা হয়নি। অনুমান করা হচ্ছে সেনসাস বা এনপিআরের সময়সীমা পিছিয়ে গেলেও, তা ২০২০ সালের মধ্যেই শেষ করা হবে। সেক্ষেত্রে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই এই কাজ শেষ হতে পারে বলে অনুমান অনেকের।

এদিকে কেন্দ্রের তরফে প্রত্যেক রাজ্যকে এনপিআর ও সেনসাসের জন্য 45 দিনের সময়সীমা জানাতে বলা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যেই দেশের প্রতিটি রাজ্যে শেষ করা হবে এনপিআর ও সেনসাস-এর কাজ। উল্লেখ্য, এনপিআর কার্যক্রম সর্ব প্রথম শুরু হওয়ার কথা ছিল মধ্য দিল্লি, আন্দামান-নিকোবার দ্বীপপুঞ্জ, লাক্ষাদ্বীপ এবং মেঘালয়ে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here