ডেস্ক: সরকারি কর্মচারীদের নিয়ে লেখা একটি গান বেশ কয়েকবছর আগে মুখে মুখে ঘুরত বাঙালির। অনেক সরকারি কর্মচারী তাতে অবশ্য একটু অসন্তুষ্ট হতে পারেন। কিন্তু সরকারি চাকারি পাওয়ার মহিমা যে কী, তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ দিলেন গুজরাতের এক সরকারি কর্মচারী।

রমেশচন্দ্র ফেফার, গুজরাত সরকারের এই আমলার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল তিনি কাজে আসছেন না কেন? উত্তরে রমেশচন্দ্র যা লিখেছিলেন, তা দেখে চক্ষু চড়কগাছ সকলের। তিনি লেখেন, ‘আমি কল্কি, বিষ্ণুর দশম অবতার। বিশ্বের বিবেক পরিবর্তনের জন্য আমি ব্রত পালন করছি। তাই আমি আসতে পারব না।’ সর্দার সরোবর এজেন্সির এই সুপারিনটেন্ডেন্ট ইঞ্জিনিয়ারের দাবি, তাঁর ব্রত পালনের কারণেই দেশে ভালভাবে বৃষ্টিপাত হচ্ছে এবং সবাই সুস্থ ও সবল রয়েছে।

শো-কজের উত্তরে এমন আলপটকা চিঠি পেয়ে চমকে গিয়েছেন সরকারি আমলারাও। সংবাদ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে বেশি সময় নেয়নি তাঁর এই চিঠি। রমেশচন্দ্র সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ”আপনারা বিশ্বাস না করলেও আমিই ভগবান বিষ্ণুর দশম অবতার এবং আগামী দিনে আমি সেই প্রমাণও দিয়ে দেব। ২০১০ সালের মার্চ মাসে অফিসে থাকার সময়ই আমি প্রথম অনুভব করি আমি কল্কি অবতার।”

জানা গিয়েছে, গত ৮ মাসে মাত্র ১৬ দিন অফিস মুখো হয়েছিলেন রামচন্দ্রবাবু। তাঁকে অফিসে আসার নির্দেশ দেওয়া হলে বছর ৫০-এর রামচন্দ্র বলেন, ”সর্দার সরোবর এজেন্সি কর্তৃপক্ষের ঠিক করা উচিত অফিসে বসিয়ে রেখে আমার টাইম পাস করাবে, নাকি আমি সত্যি কিছু কাজ করব যাতে দেশ রক্ষা পায়। আমি কল্কি অবতার বলেই কিন্তু ভারতে ভাল বৃষ্টি হচ্ছে।” এত প্রহসন কাণ্ডের পরও অবশ্য রামচন্দ্রবাবু চাকরিতে বহাল রয়েছেন।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here