মহানগর ওয়েবডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর নিজের রাজ্য গুজরাতই চিনা বিনিয়োগের প্রধান কেন্দ্র বলে সোমবার মন্তব্য করেন কংগ্রেসের মুখপাত্র পবন খেরা। যারা দেশের ২০ জন জওয়ানকে হত্যা করেছে তাদের সঙ্গে কোনওভাবেই ব্যবসা চালানো উচিত নয় বলে অভিমত প্রকাশ করেন তিনি। গুজরাতের রাজ্য সরকার বিগত পাঁচ বছরের মধ্যে চিনের সংস্থার সঙ্গে তিনটি ‘মউ’ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে যার বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৩ হাজার কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন কংগ্রেসের মুখপাত্র।

বিগত ২০ দিন চিনের সংস্থার সঙ্গে ব্যবসায়িক কাজকর্ম একদিনের জন্যও বন্ধ হয়নি বলে জানিয়েছেন খেরা। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত মালবাহী বিমান যাতায়াত করছে। ”যারা আমাদের দেশে অনধিকার প্রবেশ করেছে, যাদেরকে আটকাতে গিয়ে আমাদের বীর জওয়ানরা আত্মবলিদান করেছেন তাদের সঙ্গে স্বাভাবিক ভাবে ব্যবসায়িক লেনদেন চলতে পারে না। এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে দিতে হবে, তার প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে।”

দেশের সঙ্গে যারা শত্রুতা করে তাদের চাপে রাখার বিবিধ উপায় আছে বলে জানিয়ে কংগ্রেসের মুখপাত্র বলেন, যেহেতু গুজরাত চিনের বিনিয়োগের প্রধান কেন্দ্র এখান থেকেই সেই দেশের বিরুদ্ধে চাপ তৈরি করতে হবে এবং বর্তমান সময়ই হচ্ছে সেই চাপ তৈরি করার সেরা সময়। এই প্রসঙ্গে পবন খেরা বলেন, ”ভারতের মধ্যে গুজরাতই হচ্ছে চিনের বিনিয়োগের এপিসেন্টার। একদিকে আমাদের বীর সেনাবাহিনী পিএলএ’কে লাদাখ সীমান্ত থেকে হঠিয়ে দেবে আর অন্যদিকে সরকার অধিগৃহীত সংস্থা ক্রমাগত চিনের সংস্থাকে বরাত দিয়ে চলবে… আমরা দেখতে পাচ্ছি চিনা বিনিয়োগের প্রধান কেন্দ্রই হয়ে উঠেছে গুজরাত। আমরা এও দেখছি এখনও সেই বিনিয়োগ হয়েই চলেছে।”

এই পরিপ্রেক্ষিতে নরেন্দ্র মোদী’র কাছে বিরোধী দলের মুখপাত্র জানতে চেয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর কি চিনের প্রতি কোনও বিশেষ পক্ষপাতিত্ব রয়েছে? যদি সীমান্ত সুরক্ষিত থাকে, দেশের অর্থনীতি সুরক্ষিত থাকে তাহলে এই বিষয়ে বিরোধী দলের কোনও আপত্তি নেই জানিয়ে খেরা বলেন, ”আমরা বুঝতে পারি উনি এই সম্পর্কের পেছনে দু’দশক ধরে বিনিয়োগ করেছেন।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here