নিজস্ব প্রতিবেদক, দার্জিলিং: রবিবার ছিল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার একাদশ তম প্রতিষ্ঠা দিবস। সেই দিনটাকেই বিমল গুরুং বেছে নিলেন পাহাড়ে নতুন করে তার বার্তা ছড়িয়ে দিতে। এদিন সকালেই হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নেপালি ভাষায় গুরুং পাহাড়বাসীকে মোর্চার প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে অবিভাদন জানান ও বলেন তাদের এই কষ্ট গোর্খা জাতির মাটি ও ভাষার জন্য। এই লড়াইয়ের সুফল গোর্খা জাতির আগামি প্রজন্ম ভোগ করবে। তারা মাথা উঁচু করে থাকতে পারবে। সেই দিনটা দেখার জন্যই তিনি ও তার সঙ্গীরা এই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

গুরুঙ্গের এই বার্তা ছড়িয়ে পড়লেও পাহাড়ের জনজীবনে সেরকম কোন প্রভাব পড়তে দেখা যায়নি। তার কারন হিসাবে অনেকেই মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে বিনয় তামাংয়ের ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে ওঠা। তাছাড়া পাহাড়বাসীও গুরুং সম্পর্কে তাদের আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। অনেকেই মনে করছেন সিকিমের তরফে মুখ ঘুরিয়ে নেওয়ার পর থেকেই গুরুংকে তথাকথিত ভাবে সাহায্য করার মত কেউ নেই। বিজেপি তাকে এখনও সমর্থন দিলেও তাদেরও ক্ষমতা নেই গুরুংকে তার হারানো সাম্রাজ্য ফিরিয়ে দেওয়ার। কারন পাহাড়ে বিজেপি যে মোর্চার হাত ধরে লোকসভা নির্বাচনে জিতেছিল সেই মোর্চা এখন গুরুংয়ের হাতছাড়া হয়ে চলে গিয়েছে বিনয় তামাংয়ের হাতে। তার সঙ্গে আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুসম্পর্ক রয়েছে। মোর্চার নেতা থেকে সমর্থক সকলেই এখন পৃথক গোর্খাল্যান্ড রাজ্য অপেক্ষা উন্নয়নকে জোর দিচ্ছেন। তাই গুরুংয়ের প্রভাব এখন পাহাড়ের জনজীবনে ক্রমশ বিলীয়মান।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here