ostioartharitis

ডেস্ক: ‘অস্টিওআর্থ্রাইটিস’ এখন অতি পরিচিত শব্দ। অধিকাংশ বয়স্ক মানুষই এই সমস্যায় জর্জরিত। অর্থোপেডিক আউটডোর ভর্তি থাকে হাঁটুর আর্থ্রাইটিসের রোগীতে। এখন অবশ্য অল্প বয়সীরাও ছাড় পাচ্ছে না এর হাত থেকে।

কী হয় এই রোগে? বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ফিমার বোন বা থাই-এর হাড়ের ঠিক নিচের দিকে থাকা কার্টিলেজ ক্ষয় হতে থাকে। এটা যেমন বয়সের সঙ্গে হয় তেমনই হাঁটুতে ক্রমাগত আঘাতের ফলেও হতে পারে। প্রচলিত চিকিৎসাগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যথার ওষুধ। চিকিৎসক ব্যবসস্থাপত্রে লিখলেও এর অনেকগুলো খারাপ দিক আছে। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মারাত্মক। কেউ কেউ আবার স্টেরয়েড নিয়ে থাকেন। কিন্তু বেশি দিন নিলে ফল খুব খারাপ হতে পারে। মাঝে হ্যালুরোনিক অ্যাসিড ব্যবহার করছিলেন চিকিৎসকরা। কারণ, হাঁটুতে থাকা সাইনোভিয়াল ফ্লুইড যা কিনা কার্টিলেজের পুষ্টিসাধন করে তার একটা অন্যতম উপাদান হল হ্যালুরোনেট। কিন্তু পরে এটিকে বাতিল করা হয়। এর পর আসে প্লেটলেট-রিচ প্লাসমা পদ্ধতি। রোগীর রক্ত নিয়ে সেন্ট্রিফিউজ মেসিনে রাখা হয়। এরপর ‘কনসেন্ট্রেটেড’ প্লাজমা, প্লেটলেট আবার ইঞ্জেক্ট করা হয়। এতে ক্ষতস্থান স্বাভাবিক হয় বলে দাবি করা হয়। ‘আর্থ্রোস্কপি’ নামের এক জার্নালে এর উল্লেখ করা হয়।

তবুও এই চিকিৎসাকেও পুরোপুরি গ্রহণ করা হয়নি। তাই আপাতত ভরসা রাখতে হচ্ছে সেই ব্যায়ামের ওপরই। ফিজিকাল থেরাপির সীমাবদ্ধতা থাকলেও কোনও পার্শপ্রতিক্রিয়া নেই। অতএব, ব্যায়াম করুন প্রতিদিন নিয়ম করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here