school news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ছোট ছোট পা, কিন্তু পিঠে বড় একটা বোঝা৷ রোজ তো এই ভাবেই সকাল থেকে সন্ধে হয়৷ আর সন্ধেবেলা আবার বইয়ে ঠাসা ভারী ব্যাগ নিয়ে ছুটতে হয় টিউশন৷ সারাদিন পড়া আর পড়া৷ খেলাধুলার বালাই নেই৷ এইভাবেই একদিন কেটে যায় শৈশব৷ কিন্তু না, সেটা যাতে আর না হয় তার জন্য রাজ্যের সব নার্সারি স্কুল বন্ধ করতে চলেছে সরকার৷ না এই রাজ্যে নয়৷ এমনটা হতে চলেছে হরিয়ানায়৷ হরিয়ানায় প্রায় সাড়ে আট হাজার বেসরকারি স্কুলে এখন নার্সারি বা কেজি সেকশন চালু রয়েছে। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী কানোয়ার পাল সামনের শিক্ষাবর্ষ থেকেই পদক্ষেপ শুরুর কথা জানিয়েছেন৷

সরকারের মতে, প্রাক্‌-প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় আসলে শিশুদের শৈশব হারিয়ে যাচ্ছে। ভীষণ ক্ষতি হচ্ছে শিশুদের। ঠিক করা হয়েছে, বাচ্চারা ভর্তি হবে সরাসরি প্রথম শ্রেণিতে। তবে, খেলাধুলোর মাধ্যমে কিছু শেখার জন্য অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বা প্লে স্কুল রাখা যেতে পারে৷ শিক্ষাবিদদের একাংশই সমর্থন করছে এই সিদ্ধান্ত৷ তাদের মতে, ছোটদের সাধারণ ভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া উচিত। ছোট থেকেই লেখাপড়ার চাপের মধ্যে না দিয়ে স্বাধীন ভাবে বিকশিত হওয়ার একটা সময় দেওয়াটা খুব দরকার হয়। যে সময়টা তারা খেলাধুলা করতে পারবে। তবে সে ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। এমন বন্দোবস্ত করতে হবে যাতে, প্রাথমিক স্কুলগুলিতেই খেলাধুলো এবং লেখাপড়ার মধ্যে একটা সমন্বয় সাধন হতে পারে৷

রাশি রাশি বইয়ের চাপে খেলধুলো চুলোয় যায়৷ রোজ বইয়ের বোঝা নিয়ে যেতে হয় স্কুল৷ স্কুল থেকে ফিরে টিউশন, টিউশন থেকে বাড়ি ফিরে আবারও মুখ গুজতে হয় বইতে৷ এমনটা না হয়ে যদি খেলার ছলেই পড়া যায় তাহলে সেটাও আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে খুদেদের কাছে৷ আর সেজন্যই এই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে হরিয়ানা সরকার৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here