news bengali

মহানগর ওয়েবডেস্ক: সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ এর জেরে জম্মু-কাশ্মীর বরাবরই সেনাবাহিনীর কড়া নজরে। একচুল এদিক থেকে ওদিক হলেই তা নজরে পড়ে যায় নিরাপত্তা বাহিনীর। শুরু হয় তদন্ত। এমনই নিরাপত্তায় মোড়া জম্মু-কাশ্মীরে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করে বিপাকে পড়েছে এক পাকিস্তানি পায়রা। গুপ্তচর সন্দেহে বর্তমানে খাঁচাবন্দি সে। সেনার হাতে বন্দি ওই সন্দেহভাজন পায়রাকে নির্দোষ দাবি করে তাকে ফেরত চেয়ে মোদীকে অনুরোধ জানালেন পাকিস্তানি। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাকিস্তানের ওই বাসিন্দার অনুরোধ, পায়রাটি তার পোষা। সে জঙ্গি নয়, গুপ্তচরও নয়। তার পরিবারের সদস্য। তাকে ফেরত দেওয়া হোক। এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উপত্যকায়।

জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে জম্মু কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলার মনোহরি গ্রামে এক বাড়ির ছাদে এসে বসে পায়রাটি। তার পায়ে বাঁধা ছিল একটি রিং যেখানে আবার লেখা একটি সন্দেহভাজন কোড। বিষয়টি নজরে পড়তেই আটক করা হয় পায়রাটিকে। সংবাদ মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে খবর। এরপরই সীমান্তের ওপারে পাকিস্তানের বগগা সকরগর গ্রামের হাবীবুল্লা নামে এক ব্যক্তি দাবি করেন পায়রাটি তার পোষা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ভিডিও বার্তায় হাবীবুল্লা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, মোদীজি ও জঙ্গি নয়, গুপ্তচরও নয়, আমার পরিবারের সদস্য। ওকে আমি খুব ভালোবাসি। দয়া করে ওকে ফিরিয়ে দিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার আরও দাবি, ঈদ উপলক্ষে বারোটি পোষা পায়রা উড়িয়ে ছিলেন ওই ব্যক্তি। যার মধ্য থেকে ১১ টি পায়রা ফিরে আসে। একটি আসেনি। এর পরই সংবাদমাধ্যম থেকে তিনি জানতে পারেন ভারতীয় সেনার হাতে বন্দি হয়েছে পায়রাটি। নিজের পায়রা ফেরত চেয়ে অভিনন্দন বর্তমানের প্রসঙ্গও তুলে আনেন তিনি।

অবশ্য পায়রা দিয়ে চরবৃত্তি ঘটনা জম্মু-কাশ্মীরে ইতিমধ্যে বহুবার ঘটেছে। ২০১৫ সালে উপত্যকাতে ধরা পড়েছিল সন্দেহভাজন একটি পায়রা। ২০১৬ সালেও একটা পায়রা ধরা পড়ে জার কাছে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি দিয়ে একটি নোট পাওয়া যায়। এরপর ফের একই ঘটনায় পুলিশের অনুমান এটি কোনো সন্ত্রাসবাদী বার্তা প্রেরক। পেরে কাছ থেকে পাওয়া কোডের রহস্যভেদের চেস্টা চালাচ্ছে তদন্তকারীরা। এরই মাঝে নিজের পায়রা ফেরানোর দাবি জানাল এক পাকিস্তানী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here