ডেস্ক: অবশেষে চাকরিটা মিলল। রায়গঞ্জের সুপার স্পেসালিটি হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রীর সাহায্যার্থে চুক্তিভিত্তিক চতুর্থশ্রেণীর কাজে যোগ দেন রাবেয়া খান। চাকরিতে যোগ দিয়ে রাজ্য প্রশাসনের প্রতি নিজের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি একটি সরকারি চাকরির দাবিও করেছেন সরকারের কাছে।

ঘটনার সূত্রপাত মাত্র কিছুদিন আগে। উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদে মুখ্যমন্ত্রীর সভা চলাকালীন নিরাপত্তার বলয় ভেঙে ঢুকে পড়েন দুই বোন রাবেয়া ও আমেরা খান। আমেরাকে আটকানো গেলেও আটকানো যায়নি রাবেয়াকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পা জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি শুরু করেন তিনি। দাবি ছিল বাবার খুনের বিচার সঙ্গে নিজেদের অর্থনৈতিক দীনতা কাটাতে একটা চাকরি। সভামঞ্চে আকস্মিত এই ঘটনায় হকচকিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। অসন্তুষ্ট হন নিরাপত্তা রক্ষীদের উপরও। পরে বাড়ানো হয় মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। সেই ঘটনার কিছুদিন পর সোমবার রায়গঞ্জ সুপার স্পেসালিটি হাসপাতালে কাজে যোগ দেন তিনি।

সেদিনের ওই ঘটনার পর প্রথমে ওই দুই মহিলাকে পুলিশ আটক করলেও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। একইসঙ্গে উত্তর দিনাজপুরের আয়েষা রানি সাংবাদিকদের জানান, ‘ওই মহিলার অর্থিক অবস্থা জানার পর, সভার আগেই তাঁর চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী । সেইসঙ্গে গীতাঞ্জলী প্রকল্পের মাধ্যমে একটি বাড়িরও ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here