kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ১৯ ডিসেম্বর কলকাতার রামলীলা ময়দানে সিএএ বিরোধী সভায় যোগ দিয়েছিলেন যাদবপুরের পোলিশ ছাত্র কামিল সেদচিস্কি। সেই কারণে তাঁকে ১৫ দিনের মধ্যে দেশে ফেরার নির্দেশ দেয় ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (FRRO)। সেই নির্দেশের ওপরই স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ১৮ মার্চ চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করবেন বিচারপতি।

ডিসেম্বরে সিএএ বিরোধী আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন কামিল। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরেই তাঁকে ডেকে পাঠায় FRRO। জিজ্ঞাসাবাদের পর ১৫ দিনের মধ্যে তাঁকে দেশে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই হাইকোর্টে মামলা করেন কামিল।

সওয়াল-জবাবের সময় কেন্দ্রের আইনজীবী বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যকে জানান, কামিল যেহেতু বিদেশী ছাত্র তাই তিনি ভারত সরকার বিরোধী কোনও বিক্ষোভে অংশ নিতে পারেন না। ভিসার নিয়ম অনুজায় কোনও বিদেশী ছাত্র দেশের সরকারের বিরোধিতা করতে পারে না। যেহেতু সিএএ সংসদে পাশ হয়ে গিয়েছে, তাই এই আইনের বিরোধিতাও তিনি করতে পারেন না। ফলে ভিসাবিধি লঙ্ঘন করেছেন তিনি।

পাল্টা কামিলের আইনজীবী জয়ন্ত মিত্র জানান, ভারতের সংবিধানে কোনও বৈষম্যকে স্বীকৃতি দেওয়া হয় না। মৌলিক অধিকারের ১৪ নম্বর ধারা এক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এছাড়া ওই ছাত্র ওইদিন সভায় থেকে ফটোগ্রাফি করছিলেন ও সাংবাদিক এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। কোনও বিরোধিতা করেননি। ফলে দেশের সরকারের প্রতি বিরূপ মানসিকতা তিনি দেখাননি।

এর পরেই বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী ১৮ মার্চ তিনি এই মামলার রায় দেবেন। ততদিন ওই পোলিশ ছাত্রের দেশত্যাগের ওপর স্থগিতাদেশ রইল। উল্লেখ্য, কামিল যাদবপুরে তুলনামূলক সাহিত্যের স্নাতকোত্তর স্তরের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here