kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: শীতলকুচিতে ভোটের দিন কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলি চালনার ঘটনায় চারজনের মৃত্যুর তদন্তের গতিপ্রকৃতি কী তা জানতে সিআইডি’র কাছে রিপোর্ট চাইল কলকাতা হাইকোর্ট। এই রিপোর্ট তলব করেছেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। ৫ মে-র মধ্যে সেই রিপোর্ট দিতে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এই সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর।

চতুর্থ দফা ভোটের দিন রক্তস্নাত হয়েছিল কোচবিহারের শীতলকুচি। পাঁচ জনের মৃত্যু হয় ভোটকে কেন্দ্র করে। সকালে প্রথম মৃত্যু ঘটনা ঘটেছিল রাজনৈতিক হিংসায়। পরে চারজনের মৃত্যু হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী চালানো গুলিতে। শীতলকুচির ঘটনায় শুরু হয়ে যায় তোলপাড়। এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাঠগড়ায় তুলে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, বিজেপির তরফে দাবি করা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উস্কানিতেই ঘটেছে এই ঘটনা। ​

তলকুচিতে সেই গুলি চালানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত সোমবার জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাই কোর্টে। ওই মামলায় জানতে চাওয়া হয়, শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কেন গুলি চালাতে হলো? কী এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে, বাহিনীকে গুলি চালাতে হয়? ওই মামলায় তদন্তের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি বলা হয়, গুলিতে যাদের মৃত্যু হয়েছে তারা যাতে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ পান সেই দিকটি দেখতে হবে।

হাইকোর্টে দায়ের হওয়া ওই জনস্বার্থ মামলার শুনানি ছিল আজ। এই ঘটনায় তৃণমূল ও সিআইএসএফ-এর তরফে মাথাভাঙা থানায় দুটি পৃথক এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। এরপর সিআইডি-কে তদন্তভার দিয়ে তাদের কাছ থেকে হাইকোর্ট রিপোর্ট চেয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। মামলা দায়ের করেছিলেন যিনি সেই ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, তাঁদের দাবিমতো সিআইডি তদন্তের অনুমোদন দিয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ৫ মে সিআইডি’র কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here