Home Featured স্মৃতি-বিড়ম্বনা এড়াতেই ‘চাঁদের হাট’ মোদির!

স্মৃতি-বিড়ম্বনা এড়াতেই ‘চাঁদের হাট’ মোদির!

0
স্মৃতি-বিড়ম্বনা এড়াতেই ‘চাঁদের হাট’ মোদির!
Parul

নিজস্ব প্রতিনিধি : উচ্চ মাধ্যমিক পাশ স্মৃতি ইরানিকে নিয়ে কম বিড়ম্বনায় পড়তে হয়নি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। তাই এবার মন্ত্রিসভার যে খোলনলচে বদলালেন প্রধানমন্ত্রী, সেখানে উচ্চ শিক্ষিতের ছড়াছড়ি। এবার নতুন যে ৩৬ জনকে আলোকিত করতে দেখা যাচ্ছে মন্ত্রিসভা, তাঁদের সিংহভাগই উচ্চ শিক্ষিত।

কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকে বসানো হয়েছে অশ্বিনী বৈষ্ণবকে।১৯৯৪ ব্যাচের আইএএস অফিসার অশ্বিনী পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের হোয়ার্টন স্কুল থেকে এমবিএ করেছেন। এমটেক করেছেন আইআইটি কানপুর থেকে। বাজপেয়ীর ব্যক্তিগত সচিবও ছিলেন অশ্বিনী।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়েছে আরও এক প্রাক্তন আইএএস অফিসার রামচন্দ্র প্রসাদ সিংয়ের। বিহার থেকে নির্বাচিত রাজ্যসভার এই সাংসদ জেডিইউ নেতা। ২০১০ সালে রাজনীতিতে যোগ দেন প্রাক্তন এই আমলা। ২০২১ এই শিকে ছিঁড়ল মন্ত্রিত্বের।

এক সময় কংগ্রেসে ছিলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। পরে যোগ দেন বিজেপিতে। হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক জ্যোতিরাদিত্য স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ পাশ করেছেন। বেশ কয়েকজন চিকিৎসকও রয়েছেন মোদির এবারের মন্ত্রিসভায়। এঁদের মধ্যে কার্ডিওলজিস্ট, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ, শল্য চিকিৎসক ও সাধারণ চিকিৎসক। বাঁকুড়া থেকে মন্ত্রী হয়েছেন সুভাষ সরকার। তিনি পেশায় স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ। কল্যাণী এইমস বোর্ডের সদস্যও তিনি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিবিএস ডিগ্রিধারী তিনি। মন্ত্রিসভায় বেশ কয়েকজন ইঞ্জিনিয়রও ঠাঁই পেয়েছেন।

স্মৃতি ইরানিকে শিক্ষামন্ত্রী করে বেকায়দায় পড়েছিলেন মোদি। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। মন্ত্রী দাবি করেছিলেন, তিনি স্নাতক। যদিও পরে জানা যায়, স্নাতকে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, স্মৃতির স্মৃতি মুছে ফেলতেই এক ঝাঁক উচ্চ শিক্ষিত মন্ত্রীকে জায়গা দিয়ে আক্ষরিক অর্থেই রত্নসভা বানিয়ে ফেলেছেন মোদি।  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here