‘রাণুজি কাউকে নকল করেননি! লতাজির মন্তব্য ভুলভাবে ব্যাখ্যা হয়েছে, জানালেন হিমেশ

0
807
kolkata bengali news, himesh

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ‘এক প্যার কা নগমা হে’ গান গেয়ে শিরোনামে এসেছিলেন রাণাঘাটের রাণু মণ্ডল। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর এই গান ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই নেটিজেনরা রাণুর সঙ্গে সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরের তুলনা করতে শুরু করে। এরপরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় লতাজি জানান, ‘কাউকে অনুকরণ করে বেশিদিন চলা যায় না। নিজস্বতা থাকতে হয়।’ আর এরপরেই নেট দুনিয়ার একাংশ সুর সম্রাজ্ঞীর এই মন্তব্যকে মেনে নিতে পারেনি। আর সেই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সঙ্গীত পরিচালক হিমেশ রেশমিয়া জানান, লতাজির মন্তব্যকে ভুলভাবে ব্যখ্যা করা হচ্ছে। বুধবার ‘তেরি মেরি কাহানি’-র সং লঞ্চে এসে সঙ্গীত পরিচালক বলেন, ‘লতাজি যা বলতে চেয়েছেন তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তিনি বলতে চেয়েছেন কাউকে নকল করে বেশিদিন কাজ করা যায় না। কিন্তু আমি এটাও মনে করি অনুপ্রেরণা হল গুরুত্বপূর্ণ। রাণুজি কাউকে নকল করেননি। তিনি নিজের মতো করে গান করেছেন। আর লতাজির কোনও বিকল্প হয় না।’

হিমেশ জানালেন, ‘আমার মনে হয় রাণুজির মধ্যে এক ধরণের শক্তি আছে এবং তিনি একজন প্রতিভাবান শিল্পী। তিনি লতাজির গান শুনে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। কিংবদন্তি লতাজির জায়গা কেউ নিতে পারবে না। রাণুজি নিজের কেরিয়ার নিজের মতো করে শুরু করেছেন। কুমার শানু সবসময়েই বলেছেন, তিনি কিশোর কুমারের গান শুনে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। শুধু তিনি নন, আরও অনেক মানুষ কিশোরের গান শুনে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। যখন আমি নিজে গান গাওয়া শুরু করি তখন সবাই আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করত, কারণ আমি নাকি সুরে গান করতাম। কিন্তু আপনারা বিদেশে গেলে দেখতে পাবেন এটাই ট্রেন্ড হয়ে এসেছে। বড় বড় গায়ক এবং গায়িকাদের থেকে অনেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে থাকেন। কিন্তু কাউকে নকল করে কাজ করা যায় না। প্রত্যেকের মধ্যেই একটা নিজস্বতা থাকতে হয়, রাণুজির মধ্যে নিজস্বতা রয়েছে। তিনি কখনই কাউকে কপি করেননি।’

প্রসঙ্গত, রাণুর ‘এক প্যার কা নগমা হে’ গানটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই নেট দুনিয়ার তাঁর গানের যাদু চলতে থাকে। নেটিজেনরা তাঁকে লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে তুলনা করতে শুরু করে। যদিও রাণুর গানের প্রসঙ্গে সুর সম্রাজ্ঞীর কাছ থেকে কোনও মন্তব্য না আসায় নেটিজেনরা হতাশ হয়ে পড়ে। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় লতা ট্যুইট করে জানান, ‘নিজস্বতা রাখো। কাউকে নকল করে বেশিদিন চলা যায় না। অনেকেই করার চেষ্টা করেছে কিন্তু কেউই সফল হতে পারেনি। রফিসাব, কিশোর কুমার, মুকেশ দাদা, আশার গান গেয়ে অনেকেই প্রথমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। কিন্তু তাও বেশিদিন চলেনি।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here