ওঁর কণ্ঠ সংসদে শুনতে পাব না, কিন্তু উপস্থিতি অনুভব করব! সঙ্গীতা জেটলিকে চিঠি রাহুলের

0
49

মহানগর ওয়েবডেস্ক: অরুণ জেটলি যে সময় প্রয়াত হন তখন কাশ্মীরের বিমানে বসে রাহুল গান্ধী। দিল্লি ফিরে আসার পরই মা সনিয়াকে নিয়ে শেষবারের মত মোদী সরকারের প্রথম ও প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে ছোটেন তিনি। রাজধানীর কৈলাস নগরে জেটলির বাসভবনে পৌঁছে মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রাহুল। বিরোধী নেত্রী সনিয়াকে দেখে বিহ্বল হয়ে পড়েন জেটলির স্ত্রী সঙ্গীতা। তাঁকে জড়িয়ে ধরে সমবেদনাও জানান কংগ্রেসের সভানেত্রী। এদিন দিল্লির নিগম বোধঘাটে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হয় জেটলিকে। ঠিক তার আগেই জেটলির স্ত্রী’র উদ্দেশে একটি চিঠি লিখলেন রাহুল গান্ধী।

প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর স্মৃতির উদ্দেশে রাহুল গান্ধী লেখেন, অরুণ জেটলিজির কণ্ঠ আর সংসদের অলিন্দে শুনতে পাওয়া যাবে না। কিন্তু তাঁর উপস্থিতি সর্বদাই মনে পড়বে। সঙ্গীতা জেটলিকে সান্ত্বনা জানিয়ে রাহুল আরও লেখেন, কয়েক দশক ধরে জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর কাজের ছাপ রয়ে যাবে। “যদিও ওঁর আওয়াজ আর সংসদের আনাচে কানাচে আর শুনতে পাওয়া যাবে না, কিন্তু আমরা ওনার উপস্থিতি সর্বদা অনুভব করব। আমার চিন্তা এবং প্রার্থনায় আপনাদের পরিবার রয়েছে। এই কঠিন সময়ে ঈশ্বর যেন আপনাদের শান্তি এবং শক্তি দেন।” সঙ্গীতা জেটলিকে নিজের শোকবার্তায় লেখেন রাহুল।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে কিডনির রোগে ভুগছিলেন জেটলি। শ্বাসকষ্ট নিয়ে তিনি গত ৯ অগস্ট ভর্তি হন এইমসে। তারপর থেকেই যমে-মানুষে টানাটানি চলছে জেটলিকে নিয়ে। অত্যন্ত সংকটজনক অবস্থায় বেশ কয়েকদিন ভেন্টিলেশনে কাটানোর পর রবিবার দুপুর ১২টার পরই না ফেরার দেশে চলে যান জেটলি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here