ডেস্ক: বাস দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল মুর্শিদাবাদের দৌলতাবাদ। বালিরঘাট ব্রিজ ভেঙে ভৈরব নদীতে তলিয়ে গেল যাত্রীবাহী বাস। সোমবার ভোরে নলিনী বাস্কে সেতুর রেলিং ভেঙে গোবরা খালে তলিয়ে গেল করিমপুর থেকে মালদহগামী যাত্রীবোঝাই বাস। জানা গিয়েছে বাসে কমপক্ষে ৬০ জন যাত্রী বোঝাই ছিলেন। অধিকাংশ বাসযাত্রী নদীতে তলিয়ে গিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। তবে কয়েকজন সাঁতরে পাড়ে উঠে আসেন। অসমর্থিত সূত্রের খবর এখনও পর্যন্ত ৬ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে হয়েছে।

পূর্ণাঙ্গ ঘটনার পর অভিযোগের আঙুল উঠেছে প্রশাসনের দিকে। কয়েকঘণ্টা কেটে গেলেও প্রশাসনের তৎপরতা না দেখার ফলে ফেটে পড়েন স্থানীয় মানুষ। সময় যত গড়ায় ততই অগ্নিগর্ভের চেহারা নেয় এলাকা। চোখের সামনে বাসটি ডুবতে দেখেছেন এলাকার বাসিন্দারা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী বা উদ্ধারকারী দল কারোর দেখা মেলেনি। জানা গিয়েছে, কলকাতা থেকে মুর্শিদাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে ডুবুরির দল। দুর্ঘটনাগ্রস্থ বাসটিকে এখনও পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। নিখোঁজ প্রায় ৫৪ জনেরও কোনও খোঁজ নেই। ফলে তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও ক্ষীণ হয়ে এসেছে।

প্রশাসনের গাফিলতির অভিযোগে স্থানীয় বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ শূন্যে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। গুলি ছোঁড়ার পরই আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে জনতা। চলতে থাকে মুহুর্মুহু ইটবৃষ্টি। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় দমকলের গাড়িতে। জনতার ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ার গ্যাসের ফাটায় পুলিশ। বিক্ষোভের মুখে উদ্ধারকার্য আটকে রয়েছে। প্রাণে বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের অভিযোগ, চালক ফোনে কথা বলতে বলতে বাস চালাচ্ছিলেন। সে সময় অন্যমনস্ক হয়ে পড়ায় ঘটে এই দুর্ঘটনা।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here