kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: শীতলকুচির ঘটনার পর হাবড়ার বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিনহা বলেছিলেন, ‘কেন্দ্রীয় বাহিনীকেই শো-কজ করা উচিত। কারণ আটজনকে না মেরে কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী চারজনকে মেরেছিল?’ তার এই কথা সামনে আসার পর নড়েচড়ে বসে নির্বাচন কমিশন। রাহুল সিনহার প্রচারের ওপর ৪৮ ঘণ্টা নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। সেই নিষেধাজ্ঞা উঠে যেতেই আবারও স্বমহিমায় রাহুল সিনহা। ফের বেফাঁস মন্তব্য করলেন তিনি।

রাহুল বলেছেন, ‘কেন্দ্রীয় বাহিনী আক্রান্ত হলে গুলি চালানোর পক্ষে সায় দিয়েছেন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক। তাই বাহিনীর ওপর হামলা হলে ফের গুলি চলবে। কে বাঁচল, কে মরল- তা দেখার দরকার নেই। তার এই বক্তব্য সামনে আসার পর ফের নিন্দার ঝড় শুরু হয়েছে সব মহলে। তৃণমূলের তরফে রাহুল সিনহার এই বক্তব্যের নিন্দা করা হয়েছে। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, আটবার ভোটে দাঁড়িয়ে হেরেছেন উনি। তাই উনি কী বললেন, তা নিয়ে মাথাব্যথা করার দরকার নেই। তবে তার এই বক্তব্যে বিজেপি’র মুখোশ খুলে যাচ্ছে।

শীতলকুচির ঘটনার পর রাহুল সিনহা বলেছিলেন, ‘ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা একটা ছেলেকে যারা গুলি করেছে, তাদের নেত্রী আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওঁর দিন শেষ হয়ে গিয়েছে। মস্তানরাজ কায়েম করে গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ঠিক কাজ করেছে। তাদের ওপর বোমা ছোড়া হচ্ছে। আবারও গোলমাল করলে এই জবাবই দেবে বাহিনী। আটজনকে গুলি করে মারা উচিত ছিল। কেন চারজনকে মারল? এর জন্য বাহিনীকেই শো-কজ করা উচিত।’

তার এই বক্তব্য সামনে আসার পর নির্বাচন কমিশন মঙ্গলবার হাবড়ার বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিনহাকে ৪৮ ঘণ্টা প্রচারে ব্যান করে দেয়। সেই নিষেধাজ্ঞা উঠে যেতেই আবারও স্বমহিমায় রাহুল সিনহা। ফের বেফাঁস মন্তব্য করলেন তিনি। বললেন, ‘বাহিনীর ওপর হামলা হলে ফের গুলি চলবে। কে বাঁচল, কে মরল- তা দেখার দরকার নেই।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here