Parul

মহানগর ডেস্ক: তিনি সরকারি চাকরি করতেন। কিন্তু মাসের পর মাস তিনি অফিস যেতেন না। আর সেই কারণ জিজ্ঞাসা করায় নির্লিপ্ত গলায় বলতেন, আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁকে গুলিয়ে ফেলা ভুল হবে। তিনি কোনও সাধারণ মানুষ নন। তিনি বিষ্ণুর কাল্কি অবতার। বেগতিক বুঝে গুজরাট সরকার তাঁকে আগেই অবসর দিয়েছিলেন। গ্র্যাচুয়িটির টাকা না পেয়ে বেজায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন তিনি। তিনি সরাসরি অভিশাপ দিয়েছেন, সেই টাকা তিনি যদি না পান, তাহলে সারা দেশে ক্ষরার সৃষ্টি। একে মহামারীতে নাজেহাল দেশ, তারপর আবার ক্ষরা!

ads

গুজরাটের জলসম্পদ বিভাগের সুপারিন্টেন্ডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন রমেশ চন্দ্র ফেফার। জানা যায় ২০১৮ সালে ছয় মাসে মাত্র ১৮ দিন তিনি অফিসে গিয়েছিলেন। তাঁকে শোকজ নোটিশ ধরানো হলেই, তিনি জানান, তিনি বিষ্ণুর কাল্কি অবতার। শুধু দেশে নয়, গোটা বিশ্বে তিনি বৃষ্টি আনেন। তাঁর পক্ষে নিয়মিত অফিস আসা সম্ভব নয়। অফিসের চাপে তিনি অবসর নিতে বাধ্য হন।সময়ের আগে অবসর নিয়েছেন তিনি। তাই মোটা অঙ্কের গ্র্যাচুয়িটি পাওয়ার কথা তাঁর। তার জন্য বার বার দাবি তোলেন।

তিনি দাবি করেন, তাঁর ১৬ লক্ষ টাকা গ্রাচুয়িটি ও এক বছরের ১৬ লক্ষ টাকা মাইনে সরকার আটকে রেখেছে। এই বিষয়ে তিনি জলসম্পদ বিভাগের কাছে একটি চিঠি লেখেন, তাঁর বকেয়া টাকা না দেওয়াতে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে যাচ্ছেন। সারা বিশ্বে তিনি ক্ষরার সৃষ্টি করবেন। এই প্রসঙ্গে তিনি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বিগত ২০ বছরে একবারও ক্ষরা হয়নি। যার জন্য দেশ ২০ লক্ষ কোটি টাকা লাভ করেছে। তারপর শয়তান সরকার আমাকে হেনস্থা করছে। আমার বকেয়া টাকা দিচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি বিষ্ণুর দশম অবতার, সত্যযুগে আমার শাসন চলে। আমি এই বছর গোটা বিশ্বে খরার সৃষ্টি করব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here