রাফাল থাকলে ভারতে বসেই কোমর ভাঙা যেত পাকিস্তানের, আফসোস রাজনাথের

0
kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: দিনকয়েক আগেই প্রথম রাফাল নিয়ে দেশে ফিরেছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেই প্রসঙ্গ টেনেই মঙ্গলবার মহারাষ্ট্রের নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ফের পরোক্ষে কংগ্রেসকে বিঁধলেন তিনি। এদিন রাজনাথ বলেন, ভারতের কাছে যদি আগে থেকে রাফাল থাকতো তবে বালাকোটের জঙ্গি শিবির ধ্বংস করতে কখনই পাকিস্তানে ঢুকতে হত না বায়ুসেনাকে। পাশাপাশি রাফালের শস্ত্র পুজো করার কারণে কংগ্রেসের করা কটাক্ষের পাল্টা জবাব দেন তিনি।

ফরাসি নির্মাণ সংস্থা ড্যাসল্টের কাছে থেকে ৩৬টি রাফালে পাবে ভারতীয় বায়ুসেনা। ইতিমধ্যেই প্রথম রাফালে থাবা বসিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। কিন্তু রাফালে হাতে পাওয়ার পর প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে দেখা যায় শস্ত্র পুজো করতে। এই নিয়ে পাক মন্ত্রী রাজনাথের পাশে দাঁড়ালেও সমালোচনায় মুখর হন কংগ্রেস নেতারা। প্রসঙ্গত, কংগ্রেসের আমলেই হওয়া রাফালের চুক্তি বাতিল করেই নয়া চুক্তি করেছিল মোদী সরকার। কংগ্রেসের আমলে এই চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও পুরো প্রক্রিয়ার বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। সেই নিয়ে পূর্বতন সরকারকে খোঁচা দেন রাজনাথ। বলেন, ‘আগে যদি রাফাল যুদ্ধবিমান আমাদের হাতে থাকত তবে বালাকোটের মতো অভিযানের ক্ষেত্রে পাকিস্তানে ঢোকার প্রয়োজনই পড়ত না। ভারতে বসেই আমরা এই ধরনের হামলা চালাতে পারতাম।’ তিনি আবারও জানিয়ে দেন, রাফালের মতো যুদ্ধবিমান কখনই আগ্রাসনের জন্য ব্যবহার হয় না। আত্মরক্ষার স্বার্থেই এগুলো ব্যবহার হয়।

অন্যদিকে রাফালের শস্ত্র পুজো নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে এদিন রাজনাথ জানান, আমি বিমানটিতে ‘ওম’ লিখি, ঐতিহ্য অনুসারে একটি নারকেলও ভাঙি। কেননা ওম চিরন্তন। আমি আমার বিশ্বাস অনুসারে কাজ করেছি। এমনকি খ্রিস্টান, মুসলিম, শিখ প্রমুখ অন্যান্য সম্প্রদায়ও আমেন, ওমকার প্রভৃতি শব্দের সঙ্গে উপাসনা করে, এমনকি আমি যখন ‘শস্ত্র পুজো’ করছিলাম তখনও খ্রিস্টান, মুসলমান, শিখদের মতো সম্প্রদায়ের লোকেরা সেখানে ছিলেন। বৌদ্ধরাও সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here