imran khan reacts

মহানগর ওয়েবডেস্ক: সোমবার লোকসভায় পাশ হওয়া নাগরিকত্ব বিল নিয়ে মুখ খুললেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে তিনি এই বিলের প্রতিবাদে সরব হয়েছেন। এই বিলে পাকিস্তান, আগানিস্থান ও বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের (অ-মুসলিম) নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ইমরান এই বলের নিন্দা করেছেন। বলেছেন, এই রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ অর্থাৎ আরএসএসের হিন্দু নকশার একটি অংশ।

টুইট করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘ভারতের লোকসভায় পাশ হওয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের তীব্র বিরোধিতা করছি আমরা। আন্তর্জাতিক স্তরে মানবাধিকারের আইন এবং দ্বিপাক্ষিক চুক্তি, দু’টোই লঙ্ঘন করে এই বিল।’ কেন্দ্রীয় সরকার ও সংঘ পরিবারকে একহাত নিয়ে তিনি লেখেন, ‘এটা আসলে ফ্যাসিবাদী মোদী সরকারের তরফ থেকে প্রচারিত আরএসএসের ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ ডিজাইনের একটা অংশ।’

সোমবার বিল নিয়ে আলোচনা চলাকালীন তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়তে হয় অমিত শাহকে। ওয়েইসি যেমন তাঁর সঙ্গে তুলনা করছেন জার্মানির নাৎসি প্রধান হিটলারের। অধীর চৌধুরীর প্রশ্ন শুধু মুসলিমরাই বাদ? আপনি তো শুধু সংখ্যালঘুদেরই নিশানা করছেন? বিল পেশ হওয়া মাত্র বিরোধীরা যে এ ভাবে ছেঁকে ধরবেন, হয়তো ভাবেননি শাহ। জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদের প্রস্তাব সংসদে নিয়ে আসার সময়ও বিরোধীদের আক্রমণে এতটা অস্থির হননি, যেমন সোমবার হলেন। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ৩১১-৮০ ভোটে বিলটি পাশ করিয়ে নিতে সক্ষম হয় শাসক শিবির। লোকসভায় সিএবি পাশের পরে সমস্ত বিরোধী দল ও শাহকে অভিনন্দন জানান নরেন্দ্র মোদী। সরকারি সূত্রে খবর, বুধবার রাজ্যসভায় নাগরিকত্ব বিল পেশ করবে সরকার।

বিরোধীদের তীব্র আক্রমণের মুখে একসময় কিছুটা মেজাজ হারিয়ে তিনি বলেন, ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ করেছিল কংগ্রেস, বিজেপি নয়। বিলের নেপথ্যে মহম্মদ আলিজিন্নার দ্বিজাতিতত্ত্ব মেনে নিয়ে কংগ্রেসের দেশ ভাগে রাজি হওয়াকেই দায়ী করেছেন শাহ। শাহ বলেন, ‘‘১৯৫০ সালের নেহরু-লিয়াকত চুক্তি যদি সফল ভাবে বাস্তবায়িত হত, তা হলে এই বিল আনার প্রয়োজন হত না।” নিজের বক্তব্যে মুসলিমদের আশ্বস্ত করে বার্তা দেন অমিত শাহ। জানান, এই বিলের ফলে মুসলিমদের কোনও ভয় নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here