kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় এদিন একই মঞ্চে উপস্থিত হচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। কিন্তু সেখানে কাশ্মীর নিয়ে ভাষণ দেওয়ার আগে থেকেই নিজের হার স্বীকার করে বসে রয়েছেন তিনি। খুব প্রত্যাশিত এবং স্বাভাবিকভাবেই কাশ্মীর ইস্যুকে হাতিয়ার করে ভারতকে আক্রমণের চেষ্টা করবে ইসলামাবাদ। কিন্তু, ইমরান খান নাকি রাষ্ট্রসংঘে নিজের ভাষণ নিয়ে একেবারেই ‘ইতিবাচক’ নন। এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই তিনি নিজে স্বীকার করে নিয়েছেন। ‘তাও বিশ্বকে যদি কাশ্মীরে হতে থাকা গণহত্যার বিষয়ে ওয়াকিবহাল করা যায়’, এই ভেবে আশায় বুক বাঁধছেন তিনি।

পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলা, জবাবে বালাকোটে ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ারস্ট্রাইক। এরপর জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারার বিলোপ। এতকিছুর পর দু’দেশের সম্পর্কে আর ‘সু’ কিছু নেই বললেই চলে। পুরোটাই তিক্ততায় ভরপুর। এই অবস্থায় আজ দুই দেশের রাষ্ট্রনেতারা কার্যত সম্মুখ সমরে নামতে চলেছেন রাষ্ট্রসংঘের সাধারণসভাকে ঘিরে। নরেন্দ্র মোদী ও ইমরান খান, উভয়েই মঞ্চে বক্তব্য রাখবেন। একদিকে মোদীর হাতিয়ার হবে পাকিস্তানের মাটিতে সন্ত্রাসবাদের আস্ফালন। অন্যদিকে ইমরান কাশ্মীর ইস্যুকেই মুখ্য করে তুলবেন। কিন্তু তাতেও খুব একটা লাভ হবে এমনটা একেবারেই আশা করছেন না ইমরান।

কেননা, এই ইস্যুতে বহুবার আন্তর্জাতিক মঞ্চের দরজায় কড়া নেড়েও লাভের লাভ হয়নি ইসলামাবাদের। ফলে রাষ্ট্রসংঘের বৈঠকের আগে শুরু থেকেই ব্যাকফুটে ইমরান শিবির। সুতরাং এখন ‘গণহত্যা’-কে শিখণ্ডী করেই যদি কিছু করা যায় সেই চেষ্টায় রয়েছেন তিনি। পাক প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘বাকি সবকিছু পরের কথা, সবচেয়ে বড় হল আমি কাশ্মীরের কথা জানাতে নিউ ইয়র্কে এসেছি। বিশ্ব এটা বুঝছে না যে আমরা বড় বিপদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।’

অন্যদিকে কাশ্মীরের প্রতি ইমরানের এই মাত্রাতিরিক্ত সহানুভূতি মোটেও সহজভাবে নিচ্ছে না আমেরিকা। এক শীর্ষ আধিকারিক ইমরানকে নিশানায় নিয়ে প্রশ্ন করেছেন, কেন ইমরান চিন নিয়ে কিছু বলছেন না? চিনে আটক প্রায় ১০ লক্ষ বিভিন্ন ভাষাভাষী মুসলিমদের নিয়ে কেন নীরবতা বজায় রেখেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী? ইমরানের কাশ্মীর নিয়ে উদ্বিগ্নতার মাঝেই বলেছেন, ‘আমি ওই একই রকমের সচেতনতা দেখতে চাই পশ্চিম চিনে আটক মুসলিমদের ব্যাপারেও। তাদের ওখানে প্রায় বন্দি করে রাখা হয়েছে।’

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here